বাংলাদেশে গতকাল যেন সব ফুল ফুটেছিল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। চারদিকে বিজয়োত্সব। লাল-সবুজের বিজয় নিশান আর ফুল হাতে জনস্রোত ছিল সর্বত্র। চারদিকে নতুন প্রজন্মের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। অহংকার ও অর্জনের বিজয়ের উল্লাসে মেতেছিল পুরো দেশ। মুখে ছিল বিজয়ের গান আর যুদ্ধাপরাধী-স্বাধীনতাবিরোধী ও তাদের দোসরদের আস্ফাালন রুখে দেওয়ার অঙ্গীকার।
গতকাল মহান বিজয় দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা-ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতায় মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণ করা হয়। শ্রদ্ধাবনত জাতি ফুলে ফুলে ভরে দেয় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। সেখানে সর্বস্তরের লাখো মানুষের ঢল নামে। মহান বিজয় দিবসের সূচনা হয় ভোরে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে (পুরোনো বিমানবন্দর) ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে। সকাল ৬টা ৩৪ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল এ সময় সালাম জানায়। শহিদদের স্মরণে বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে একাত্তরের শহিদদের স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। পরে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসাবে দলের নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা।
সকাল সাড়ে ১০টায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৪৯তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এ কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশন কুচকাওয়াজ পরিচালনা করে।
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তিনি দেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এছাড়া দেশের ৪৯তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিকাল ৩টায় গণভবনে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। বিকাল সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
সোমবার ছিল সরকারি ছুটির দিন। বিজয়ের ৪৮ পেরিয়ে ৪৯ বছরে পদার্পণের দিনে রাজধানীসহ সারাদেশে বিজয় আনন্দে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে মানুষ। নগরীর প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলো জাতীয় ও বর্ণিল পতাকায় সাজানো হয়। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। নগরীর অধিকাংশ সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হয়। বেতার ও টেলিভিশনে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। শহিদদের আত্মার শান্তি, জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব ধর্মের উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা শহরেও নানা আয়োজনে বিজয় দিবস উদ্যাপন করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল ও মিষ্টি পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এবারও নগরীর মোহাম্মদপুরের গজনবী রোডে অবস্থিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্রে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ফুল, ফল ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন। উপহার পেয়ে শহিদ পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল
হাতে লাল-সবুজের পতাকা, মুখে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে গতকাল মুখরিত ছিল জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা। বিজয়ের আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঘিরে গোটা সাভার যেন পরিণত হয় উত্সবের নগরীতে। লাখো মানুষের স্রোত গিয়ে মিশেছিল জাতীয় স্মৃতিসৌধে। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে যারা বাংলাদেশের জন্য পতাকা এনেছিল সেই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তারা। ফুলে ফুলে ছেয়ে গিয়েছিল বাঙালির অহংকার জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদি।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনকালে অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, জাতীয় নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধান, কূটনীতিক এবং পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা হুইল চেয়ারে বসে শহিদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। স্পিকার ও বিচারপতিবৃন্দ পৃথকভাবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এছাড়া বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণকারী আমন্ত্রিত সদস্যগণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও কূটনীতিকরা চলে যাওয়ার পরই স্মৃতিসৌধ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
বিভিন্ন দল-সংগঠনের শ্রদ্ধা
ভোর থেকেই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় জাতি স্মরণ করে একাত্তরের বীর শহিদদের। সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের নেতৃত্বে জাপা নেতৃবৃন্দ জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্ল্লোগান দেন। গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহিদ বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মতিন খসরু, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রমুখ। জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, মন্ত্রী-এমপি তৈরি করা সম্ভব, কিন্তু আরেকজন মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করা সম্ভব নয়। দেশে রাজাকারদের তালিকা হলেও মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনো না হওয়ায় তারা আক্ষেপ প্রকাশ করেন।
এছাড়া জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহিদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ (ইনু), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ঢাকা আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল, যুবলীগ, যুব ইউনিয়ন, মহিলা পরিষদ, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক কমান্ডসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন। সভাপতি আবুল খায়ের ও সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। প্রসঙ্গত, বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা জেলা পুলিশের উদ্যোগে আমিনবাজার থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে বড়ো এলইডি প্রজেক্টর বসানো হয়। এসব প্রজেক্টরের মাধ্যমে ১৯৪৭ থেকে ৭১ সালের উল্লেখযোগ্য ঘটনাপ্রবাহ দেখানো হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন
সকালে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ফারুক খানের নেতৃত্বে দলের পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
যুবলীগের পক্ষ থেকে সকালে পৌনে ৭টায় সাভার স্মৃতিসৌধে, সকাল সাড়ে ৮টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ, সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সকালে রাজারবাগ স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বীর পুলিশ সদস্যদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. জাভেদ পাটোয়ারী।
১৪ দলের শ্রদ্ধা
জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৪ দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাসদের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা, জেপির সহসাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এনামুল ইসলাম রুবেল, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, গণআজাদী লীগের সভাপতি এসকে শিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জেপির শ্রদ্ধা
মহান বিজয় দিবস পালনে গতকাল সকাল সাড়ে ৬টায় জাতীয় পার্টির (জেপি) সকল কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৮টায় জেপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন দলের নেতৃবৃন্দ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা, নির্বাহী সম্পাদক সাদেক সিদ্দিকী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান খলিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম সালাহ উদ্দিন আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, সহসাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম তপন, কে এম মজিবুর রহমান মজনু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু প্রমুখ।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জেপির উদ্যোগে ১৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের ‘জহুর হোসেন চৌধুরী’ হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি।
বর্ণাঢ্য বিজয় শোভাযাত্রা
সাংস্কৃতিক শক্তিতে সারাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রত্যয় নিয়ে বিজয় শোভাযাত্রা করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। ‘বিজয়ের অঙ্গীকার, সাংস্কৃতিক অধিকার’ স্লোগান নিয়ে এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নেন দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা। সকালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বর্ণিল এই শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার। শোভাযাত্রাটি শহিদ মিনার থেকে শুরু হয়ে ফুলার রোড হয়ে টিএসসিতে গিয়ে শেষ হয়।
