রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং তার পত্নী রাশিদা খানম দেশের ৪৯তম বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে গতকাল বঙ্গভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকালে রাষ্ট্রপতি প্রাসাদের সবুজ চত্বরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এ উপলক্ষ্যে দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বঙ্গভবনের সবুজ চত্বরে কয়েক হাজার অতিথি উপস্থিত হন।
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল ছিল সরকারি ছুটির দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর ওপর মিত্র বাহিনীর বিজয় স্মরণে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়।
এদিন পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করায় ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের অবসান ঘটে এবং পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার পত্নী রাশিদা খানম এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ আগত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা কুশল বিনিময় করেন।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে কেক কাটেন ও বেলুন উড়ান।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, মন্ত্রিসভার সদস্যবর্গ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ, জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্যবর্গ, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে সিনিয়র আইনজীবীগণ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সিনিয়র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সম্পাদকবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বীর শ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যবর্গ, শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট নাগরিকগণও যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে শাহিন সামাদ, তিমির নন্দী, ফাহমিদা নবী এবং আবু বক্কর সিদ্দিকসহ দেশের বিশিষ্ট সংগীত শিল্পীগণ সংগীত পরিবেশন করেন। এছাড়া একদল শিশুশিল্পী ও একটি ব্যান্ডদল সংগীত পরিবেশন করে।
