খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন :ফখরুল

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:২০

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছর পর রাজাকারদের তালিকার প্রয়োজনটা কী? এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বলা হচ্ছে তালিকা নাকি পাকিস্তানের। আসলে সরকার সবক্ষেত্রে ব্যর্থ। আজকে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। তার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা যাবে না। মুক্তির জন্য কঠোর আন্দোলনের জন্য সবাই প্রস্তুত হোন। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপি আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

শোভাযাত্রা নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে মালিবাগ মোড় ঘুরে ফের দলের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে আমরা বিজয় মিছিল করছি। যেখানে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল বেগম খালেদা জিয়ার। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তাকে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। যেসব বীর শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৮ বছরে কী পেলাম? স্বাধীনতার সমস্ত চেতনা ভেঙে খান খান করে দিয়েছে ক্ষমতাসীন সরকার।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকে বিজয়ের আনন্দ নেই। কারণ দেশের বিজয়ের মূল উদ্দেশ্য গণতন্ত্র নেই। বেগম খালেদা জিয়া আজকে অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আজকে বিজয় দিবসের শোভাযাত্রায় আসুন আমরা শপথ নিই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করি। বেগম জিয়াকে মুক্ত করি। মির্জা আব্বাস বলেন, লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। সেটা আজ ধূলিসাত্। খালেদা জিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করতে ব্যর্থ হলে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তাকে মুক্ত করব ইনশাআল্লাহ।

মিছিলে আরো অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল প্রমুখ।