পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর মতো আওয়ামী লীগকেও আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাস বলে, এভাবে অন্যায়-অবিচার, দমননীতি চালিয়ে অল্প কিছুদিন ক্ষমতায় থাকা যায়। চিরকালের জন্য থাকা যায় না। অতীতে যেভাবে স্বৈরাচার ও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, একইভাবে আজকের দখলদার ও হানাদার বাহিনী আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে সরিয়ে দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় মহানগর নাট্যমঞ্চে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, আবদুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবীব-উন-নবী খান সোহেল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকে দেশের স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে আমরা চিন্তিত। কারণ, মেরুদণ্ডহীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কোনো বিষয়ের প্রতিবাদ করতে পারছে না। ভারত এনআরসির (জাতীয় নাগরিকপঞ্জি) মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিপদগ্রস্ত করছে; কিন্তু বাংলাদেশের সরকার কোনো প্রতিবাদ করতে পারছে না।
