সাতক্ষীরার কুমিরায় পিকআপের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী নানী ও নাতিসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মোটরসাইকেল চালক নানা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানাধীন সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের কুমিরা চারাবটতলা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক পিকআপটি আটক করলেও চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
নিহতরা হলো, যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার ভোগতি গ্রামের মাওঃ মোঃ আব্দুস সামাদের স্ত্রী ফরিদা খাতুন (৫০) ও তাদের নাতি তালা উপজেলার তৈলকূপি গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে মোঃ ফাহাদ হোসেন (১৪)। আহত মোটরসাইকেল চালক মাওঃ মোঃ আব্দুস সামাদকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, 'মাওঃ আব্দুস সামাদ তার স্ত্রী ফরিদা খাতুনকে নিয়ে তালা উপজেলার তৈলকূপি গ্রামে জামাই হামিদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। সন্ধ্যায় নাতি ফাহাদ হোসেনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে তারা কেশবপুরের ভোগতি গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পাটকেলঘাটা থানাধীন সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের কুমিরা চারাবটতলা এলাকায় পৌঁছুলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে পিকআপের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী নানী ফরিদা খাতুন ও নাতি ফাহাদ হোসেন ঘটনাস্থলে নিহত হন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন মোটরসাইকেল চালক আব্দুস সামাদ। তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় জনতা ঘাতক পিকআপটি জব্দ করলেও এর চালক পালিয়ে যায়।'
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ব্লগগুলির এখনও অনেক কিছুই দেয়ার বাকি : ব্লগার হাসান মাহবুব
পাটকেলঘাটা থানার ওসি রেজাউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, 'নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। ঘাতক পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে।'
ইত্তেফাক/নূহু
