করাচিতে প্রথমদিনেই ১৩ উইকেট

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:৪৭

স্পোর্টস রিপোর্টার

রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্ট ড্র হয়েছিল বৃষ্টির কারণে। প্রকৃতি বৈরী না থাকলে করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্ট ফলাফলের মুখ দেখতে পারে। গতকাল ম্যাচের প্রথম দিনেই ১৩ উইকেটের পতন ঘটেছে। দিন শেষে পাকিস্তানই কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে। ম্যাচের আবহ দুর্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে স্বাগতিকদের জন্য। কারণ লঙ্কান বোলারদের দাপটে গতকাল পাকিস্তানের প্রথম শেষ হয়ে গেছে ১৯১ রানে। স্বাগতিকেরা ব্যাট করতে পেরেছে মাত্র ৫৯.৩ ওভার।

শেষ বিকেলে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বস্তিতে নেই সফরকারীরাও। ১৯ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেটে ৬৪ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ৮, লাসিথ এমবুলডেনিয়া ৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন। এখনো ১২৭ রানে পিছিয়ে লঙ্কানরা। ব্যাট হাতে ম্যাথুসরা প্রতিরোধ গড়তে পারলে লিড নেওয়ার আশা করতেই পারে শ্রীলঙ্কা।

করাচিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১০ রানেই ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান। লঙ্কান বাঁহাতি পেসার ফার্নান্দো বোল্ড করেন শান মাসুদ (৫) ও পাকিস্তানের অধিনায়ক আজহার আলীকে (০)। আবিদ আলী-বাবর আজমের ইনিংস বিনির্মাণের চেষ্টা থামান লাহিরু কুমারা। আবিদ আলী ৩৮ রান করে এলবির ফাঁদে পড়েন। ভাঙে ৫৫ রানের জুটি। চতুর্থ উইকেটে আসাদ শফিকের সঙ্গেও ৬২ রানের জুটি গড়েন বাবর আজম। তাদের বিচ্ছিন্ন করেন এমবুলডেনিয়া। বাবর আজম ৬০ রান করে স্টাম্পড হন। এরপর আসাদ শফিক একপ্রান্ত লড়ে গেছেন। অপর প্রান্তে এমবুলডেনিয়া ও লাহিরু কুমারার শিকার উত্সব চলেছে সমানতালে। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে দলীয় ১৮৫ রানে আউট হন আসাদ শফিক। তিনি ৬৩ রান করেন।

হারিস সোহেল, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইয়াসির শাহরা সুবিধা করতে পারেননি ব্যাট হাতে। লোয়ার অর্ডারে তারা দ্রুত ফেরায় পাকিস্তানের স্কোরটা বড়ো হয়নি। শ্রীলঙ্কার কুমারা ৪৯ রানে ৪টি, এমবুলডেনিয়া ৭১ রানে ৪টি এবং ফার্নান্দো ২টি উইকেট পান।

পরে ব্যাটিংয়ে নামা শ্রীলঙ্কাকে কাঁপিয়েছেন পাকিস্তান ফাস্ট বোলাররা। মোহাম্মদ আব্বাস ও শাহীন শাহ আফ্রিদি ফিরিয়েছেন তিন লঙ্কান ব্যাটসম্যানকে। আব্বাসের শিকার হন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে (২৫) ও কুশল মেন্ডিস (১৩)। ওপেনার ওশাদা ফার্নান্দো (৪) শাহীন শাহ আফ্রিদির শিকার হন। দিন শেষের দুই ওভার আগে আউট হয়েছেন কুশল মেন্ডিস। বাকি সময়টা কাটিয়ে দিয়েছেন ম্যাথুস ও এমবুলডেনিয়া। আজ ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে প্রথম ইনিংসে লিড পেতে ম্যাথুসের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে সেরাটা দিতে হবে চান্দিমাল-ডিকেওয়েলাদের।