নন্দীগ্রামে প্রধান শিক্ষক নেই ২১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:৪৭

বগুড়ার নন্দীগ্রামে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ২১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা জুড়ে রয়েছে ১০৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান ও সহকারী শিক্ষকের ৩৬টি পদ শূন্য রয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম।

উপজেলা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ৩৬টি শিক্ষকের পদ ফাঁকা রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক ২১টি ও সহকারী শিক্ষক ১৫টি। আরো জানা যায়, অবসর ও বদলির কারণে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য হওয়ায় সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে একজনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। 

প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করার কারণে ঐ শিক্ষকরা রুটিন অনুযায়ী পাঠদান করতে পারছেন না।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েক জন শিক্ষক বলেন, শিক্ষক স্বল্পতার কারণে বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।

এদিকে, উপজেলার বনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ সাত বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নেই। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই চলছে বিদ্যালয়টি।

ঐ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান জানান, এই বিদ্যালয়টিতে সাত বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। রুটিন অনুযায়ী পাঠদানের পাশাপাশি আমাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। তিনি আরো জানান, দ্রুত একজন প্রধান শিক্ষক যোগদান করলে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম আরো ভালো হবে।

বুধবার উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল জব্বার ২১ প্রধান শিক্ষকসহ ৩৬টি শিক্ষকের পদ শূন্যের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। অল্প দিনের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি আরো জানান, উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান বৃদ্ধির জন্য প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা হয়। তাই পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।