রিয়াদ নেই এসেছেন প্লাঙ্কেট

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:০৩

স্পোর্টস রিপোর্টার

হ্যামাস্ট্রিংয়ের চোটটা বেশ ভোগাচ্ছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। এই চোটের কারণেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম দুই ম্যাচ মাঠে নামতে পারেননি চট্টগ্রামের অধিনায়ক। সেরে উঠেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সর্বশেষ ম্যাচে অসাধারণ এক ইনিংসও খেলেছেন। সেই ম্যাচেই চোট পেয়ে আবারও ছিটকে গেছেন রিয়াদ। তার বদলে গতকাল চট্টগ্রামের অধিনায়কত্ব করেছেন ইমরুল কায়েস।

এদিকে রিয়াদ যখন চোটে, তখন চট্টগ্রামে খেলার জন্য ইংল্যান্ড থেকে এসেছেন লিয়াম প্লাংকেট। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে খেলবেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড় লিয়াম প্লাংকেট। নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুকে এই খবর নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম পর্ব থেকে দলের সাথে যোগ দিয়েছেন প্লাংকেট।

ইংল্যান্ডের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সদস্য ছিলেন ডান-হাতি পেসার প্লাংকেট। ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। লর্ডসের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪২ রানে ৩ উইকেট শিকারও করেছিলেন প্লাংকেট। সম্প্রতি আবুধাবিতে টি-টেন লিগে বাংলা টাইগার্সের হয়ে ৬ ম্যাচে ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি।

এর আগে, বিপিএলে সিলেট সিক্সার্সের হয়ে খেলেছে ২০১৭-১৮ মৌসুমে ৫ ম্যাচে অংশ নিয়ে ১৯ ওভার বল করে ১৫৮ রানে ৭ উইকেট নেন প্লাংকেট।

প্লাংকেট এলেও চট্টগ্রামের দুশ্চিন্তা হয়ে রয়েছেন রিয়াদ। রিয়াদ এই চোটটা ধরা পড়ে ভারতের বিপক্ষে কলকাতা টেস্টের সময়। কলকাতা টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগায় মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ। পরে আর ব্যাটিংয়ে নামতে পারেননি। সে সময় বিসিবির প্রধান চিকিত্সক দেবাশিস চৌধুরী জানান, সম্ভাব্য শঙ্কার কথা মাথায় রেখেই তাকে সামলাতে হচ্ছে সতর্কতায়, ‘মাহমুদউল্লাহর ইনজুরিটা হচ্ছে গ্রেড ওয়ান হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি। সে গতকাল স্ক্যান করিয়েছে, রিপোর্ট আমরা এখনো হাতে পাইনি। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, খুব অল্প মাত্রার হ্যামস্ট্রিং হলেও আমরা ৭ দিনের বিশ্রাম দেই। কারণ, ফিট না হয়ে খেলায় ফিরলে আবার ইনজুরিতে পড়ার শঙ্কা থাকে। একই ইনজুরি জায়গাতে হলে সারতে সময় নেয়। এখন আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে, ওর দ্বিতীয় দফায় ইনজুরিটা আটকানো। একই জায়গায় দ্বিতীয়বার চোট পেলে ফিরতে এক মাসের মতো সময় লেগে যাবে। আর তৃতীয়বার লাগলে, গোটা মৌসুম মিস করার শঙ্কা থাকে। তাই আপাতত আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে ইনজুরিটা যেন না ফেরে, সেটার ব্যবস্থা করা।’