সারিয়াকান্দিতে মাওলানার বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮:২৬

বগুড়ার সারিয়াকান্দি পৌর এলাকায় জামিয়া ছিদ্দিকিয়া ক্বওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগ মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বৈঠক চলাকালে সে পালিয়ে যায়।

বলাৎকারের স্বীকার ১২ বছরের মাদ্রাসা ছাত্র স্বাধীন ও তার পরিবারের লোকজন জানায়, মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য কিছুদিন আগে ৫জন ছাত্রকে নিয়ে মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা আব্দুল খালেক কয়েক দিনের জন্য বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ধান, চাল সংগ্রহ করতে যায়। সারাদিন আদায় করে অমলপুর গ্রামের ইছহাক নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে রাত্রি যাপন করে। ওই বাড়িতে অবস্থানকালে রাতে এক ছাত্রকে বলাৎকার করে। ছাত্রটি লজ্জায় বিষযটি গোপন রাখে।

গত শুক্রবার  মাদ্রাসার এক শিক্ষক বিষয়টি জেনে পরিচয় গোপন করে   মোবাইল ফোনে ছাত্রের অভিভাবককে বলাৎকারের বিষয়টি জানান। বিষয়টি ছাত্রের অভিভাবকরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানালে এনিয়ে বৈঠকে বসে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। সংবাদ পেয়ে সারিয়াকান্দি থানার এস.আই. আবু হেলালের নেতৃত্বে একদল পুলিশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে বৈঠক চলাকালে মাদ্রাসায় আসে। তখন মাওলানা আব্দুল খালেক পালিয়ে যায়।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি লোকমান হাকিম বলেন, মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়ায় বৈঠকে বসা হয়েছিল। বিষয়টি ষড়যন্ত্র বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে পুকুর থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

এস.আই. আবু হেলাল বলেন, সংবাদ পেয়ে একদল পুলিশসহ মাদ্রাসায় যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাওলানা আব্দুল খালেক পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন চলছে।

ইত্তেফাক/নূহু