সিরিয়ার ইদলিব শহরে রাশিয়া ও সিরিয় সরকারি বাহিনীর বিমান হামলার পর প্রাণ বাঁচাতে হাজার হাজার সিরীয় নাগরিক তুরস্কের সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছেন। এমতাবস্থায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান একা শরণার্থীদের চাপ সামলাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাদেরকে ইউরোপে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন।
সিরিয়ায় ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধ শুরুর পর থেকে লাখ লাখ শরণার্থী তুরস্কে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে অন্তত ৩৬ লাখ সিরীয় শরণার্থী তুরস্কে অবস্থান করছেন। তাদের নিয়ে ইতোমধ্যে বিপাকে পড়েছেন এরদোয়ান সরকার। এমতাবস্থায় সিরিয়ার ইদলিবে রাশিয়া ও সিরিয়ান সরকারি বাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের জেরে হাজার হাজার মানুষ তুরস্ক সীমান্তের দিকে ছুটছেন।
এ ব্যাপারে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে অন্তত ৮০ হাজার মানুষ তুরস্ক সীমান্তের ছুটছেন। এই অবস্থায় তুরস্কের একার পক্ষে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, ইদলিবে হামলা বন্ধ না হলে শরণার্থীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ অবস্থা চলতে থাকলে পুরো ইউরোপকে এর ভার বহন করতে হবে।
তুরস্কে রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলা জানিয়েছে, অন্তত এক লাখ মানুষ তুরস্কের সীমান্তের কাছে আশ্রয় নিয়েছে। তবে তাদেরকে তুরস্কে ঢুকতে দেওয়া হবে কি’না তা নিশ্চিত করেনি সংবাদ সংস্থাটি।
আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডে বিজেপির পতন
গত অক্টোবরে, এরদোগান হুমকি দিয়েছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আরও সহায়তা না পেলে বর্তমানে তুরস্কে আশ্রয় নেওয়া সিরীয় শরণার্থীদের ইউরোপে প্রবেশের অনুমতি দেবে দেশটি। গত শুক্রবার রাশিয়া ও চীন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক সিরীয় শরণার্থীদের জন্য সহায়তা বৃদ্ধির প্রস্তাব আটকে দিয়েছে। এ অবস্থায় রবিবার এরদোয়ান সিরীয় শরণার্থীদের ইউরোপে পাঠানোর হুমকি দিলেন।
ইত্তেফাক/এসইউ
