গণসংযোগে বাঁধা দেওয়ায় রাজশাহীর বাগমারায় আওয়ামী লীগ, বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও সাবেক সাংসদ আবু হেনা দলীয় নেতাকর্মীদের উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের গোয়ালকান্দি বাজারে গণসংযোগ করার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও মহিলা লীগের নেতাকর্মীরা বাঁধা দেন। ওই সময় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ ও মহিলা লীগের নেতাকর্মীদের প্রতিহত করেন এবং গণসংযোগ শেষ করে একই উপজেলার হামিরকুৎসা বাজারে যান।
হামিরকুৎসা বাজারে গণসংযোগ করার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বাঁধা দেন। বাঁধা অমান্য করে গণসংযোগ করার সময় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালান। ওই সময় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরাও পাল্টা হামলা চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এক পর্যায়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পিছু হটেন। এক পর্যায়ে ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে বাগমারা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি শান্ত করে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া অভিযোগ করেন, তাদের দলের সমর্থিত ধানের শীষের প্রার্থী আবু হেনাকে নিয়ে উপজেলার গোয়ালকান্দি বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগের সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের উপর হামলা চালায়। লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে ৮/১০ জন নেতাকর্মীকে আহত করে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার ওসি নাছিম আহম্মেদ বলেন, সামান্য একটু উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। ওই এলাকা থেকে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের অণুকুলে রয়েছে।
আরো পড়ুন: অনেক মোটা নায়িকা আবশ্যক, বিজ্ঞপ্তি জাজের
ইত্তেফাক/জেডএইচ
