নিবন্ধন ব্যয় কমাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া
হচ্ছে :গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী
ইত্তেফাক রিপোর্ট
শুরু হলো আবাসন খাতের সবচেয়ে বড়ো আয়োজন রিহ্যাব উইন্টার ফেয়ার ২০১৯। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসাবে এর উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, এমপি। ৫ দিনব্যাপী এ মেলা চলবে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এবারের ফেয়ারে ১৬০টি প্রতিষ্ঠানের মোট ২৩০টি স্টল থাকছে। ১১৬টি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান ছাড়াও এবছর ৩০টি বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস ও ১৪ অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠানকে অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দিয়েছে রিহ্যাব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ডেভেলপারদের আইন মেনে সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আবাসন খাতে কিছু সমস্যা রয়েছে। আমরা সেটা সমাধানের চেষ্টা করছি। বিশেষ করে নিবন্ধনব্যয় কমানোর জন্য খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগে বিল্ডিং তৈরির কাজে ১৬টি সংস্থার অনুমোদন নেওয়া লাগত। আমরা এটা সহজ করে চারে নামিয়ে নিয়ে এসেছি। ভূমির ছাড়পত্র সহজ করে অটোমেশন পদ্ধতি চালু করেছি। তিনি জানান, সরকারি প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় ভালো আবাসন ব্যবসায়ীদের ইমারত নির্মাণের কাজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের আবাসন প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিলে তাদের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি থাকবে। ঢাকার তুরাগ নদীর পাড় ও কেরানীগঞ্জে স্যাটেলাইট সিটি, ঝিলমিল সম্প্রসারণ, পূর্বাচল এবং উত্তরা ৩য় পর্ব প্রকল্পে ফ্ল্যাট নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা যাতে বিনিয়োগ করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট আলমগীর শামসুল আলামিন (কাজল)। রিহ্যাব সদস্য এবং ক্রেতাদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করতে এই ফেয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট (প্রথম) লিয়াকত আলী ভুঁইয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট (২) মো. আনোয়ারুজ্জামান, ভাইস প্রেসিডেন্ট কামাল মাহমুদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) এবং ফেয়ার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) প্রকৌশলী মোহাম্মদ সোহেল রানা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল কৈয়ূম চৌধুরীসহ রিহ্যাব পরিচালকবৃন্দ এবং অন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ক্রেতা-দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। মেলায় দুই ধরনের টিকিট থাকছে। সিঙ্গেল টিকিটের প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা। আর মাল্টিপল এন্ট্রি টিকিটের প্রবেশ মূল্য ১০০ টাকা। মাল্টিপল এন্ট্রি টিকিট দিয়ে একজন দর্শনার্থী মেলার সময় পাঁচ বার প্রবেশ করতে পারবেন। এন্ট্রি টিকিটের প্রাপ্ত সম্পূর্ণ অর্থ দুস্থদের সাহায্যার্থে ব্যয় করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।
