ইট পোড়ানো মৌসুম শুরু হয়েছে। বানারীপাড়ার ইটভাটার মালিকরা মানছে না ইট তৈরি ও ভাটা স্থাপন আইন। উপজেলার দুই একটি ইটভাটার মালিক ছাড়া অন্যরা নিজেদের ইচ্ছামতো সংরক্ষিত, আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা, জলাভূমি, কৃষিজমি এবং পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় ইটভাটা স্থাপন করছে। আর এসব ভাটায় অবাধে পোড়ানো হচ্ছে মূল্যবান বনজ ও ফলদ গাছ। ভাটার ধুলা, কালো ধোঁয়া ও আগুনের তাপে ধ্বংস হচ্ছে নিকটবর্তী এলাকার সবুজ বনজ সম্পদ এবং ফলদ গাছ।
কাজলাহার গ্রামে এক ইটভাটার পাশের বাসিন্দা রহিম বেপারী জানান, আমাদের বাগানের গাছগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। জম্বদীপ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত আ. সালাম জানান, আমার অল্প জমি আছে, সেখানে ফসল হয়। সীমানার কাছে ইটভাটা হওয়ায় সেখানে চাষ করা গেলেও ফসল আগের মতো হয় না।
উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জানান, ইটভাটার কারণে যাতে পরিবেশ নষ্ট না হয় সেজন্য মনিটরিং করছি। আর পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে এবং তা অব্যাহত আছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ জানান, গত বছর পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে দুটি ইটভাটার মালিককে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পর্যায়ক্রমে সব কয়টি ইটভাটায় অভিযান চালানো হবে।
পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশালের পরিচালক (উপসচিব) আব্দুল হালিম জানান, এরই মধ্যে বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ইটভাটা ভেঙে ফেলা হয়েছে। জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। শিগগিরই বানারীপাড়ায় গত বছরের চেয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
