বঙ্গবন্ধু সেতুর এয়ারক্রাফট ওয়ার্নিং লাইট
অভিজিত্ ঘোষ, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
বঙ্গবন্ধু সেতুতে স্থাপিত এয়ারক্রাফট ওয়ার্নিং লাইট (এডাব্লিউএল) বছরের পর বছর নষ্ট হয়ে পড়ে থাকলেও সেগুলো সচলের উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। ফলে রাত ও দিনে ঝুঁকি নিয়ে সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত করছে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারসহ আকাশপথের পরিবহনগুলো। সেতুতে স্থাপিত ৪৯ এডাব্লিউএলের মধ্যে মাত্র দুটি লাইট সচল রয়েছে। বাকিগুলো দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। এছাড়া সেতুর ৬৫ নেভিগেশন লাইটের অনেকগুলো লাইট নষ্ট রয়েছে। রাত্রিকালীন সময়ে নৌপরিবহন মারাত্মক ঝুঁকিতে নদী পারাপার হচ্ছে। সেতু কর্তৃপক্ষের দাবি:বারবার অকেজো লাইটগুলোর বিষয়ে পিজিসিবিকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।
দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলে সঙ্গে গ্যাস যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম বঙ্গবন্ধু সেতু। সেতুর নিচে ও ওপরের লাইটগুলো এভাবে নষ্ট থাকলে যে কোনো সময় বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছে সেতু সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, সেতুটি বিগত সময়ে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করত। কিন্তু কয়েক বছর যাবত্ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ না হওয়ায় বর্তমানে এর দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ(বিবিএ)। বঙ্গবন্ধু সেতুতে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা বলেন, সেতুর ওপরে ও নিচের একাধিক লাইট নষ্ট হলেও এসব লাইট সচলের উদ্যোগ নেয়নি সেতু কর্তৃপক্ষ।
সত্যতা স্বীকার করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইট অফিসের সহকারী প্রকৌশলী আহসানুল কবির পাভেল বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুতে স্থাপিত এয়ারক্রাফট ওয়ার্নিং লাইটগুলো মেরামতের দায়িত্বে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। তাদেরকে বিবিএ থেকে বারবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ের পাবলিক রিলেশন অফিসার (পিআরও) এ বি এম বদরুদ্দোজা খান বলেন, সেতু কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়েছে কি না সেটা জানা নেই।
