চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন মার্চে হতে পারে :সিইসি

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২০, ২২:৫০

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। এসব নির্বাচনে কারচুপির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এক প্রশ্নের জবাবে আগামী মার্চ মাসে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, এপ্রিল-মে রমজান মাস। ঐ সময় এইচএসসি পরীক্ষাও রয়েছে। মার্চ মাস ফাঁকা আছে কি না দেখতে হবে। মার্চে পরীক্ষা তেমন একটা নেই। নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জাসদ দলীয় সংসদ সদস্য মঈন উদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী-পাঁচলাইশ (আংশিক) আসনটি শূন্য হয়। এই আসনে উপনির্বাচন হবে আগামী ১৩ জানুয়ারি। অন্যদিকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হবে ৩০ জানুয়ারি। চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে সিইসি বলেন, তারা বলেছেন প্রস্তুতি ভালো আছে। নির্বাচন               প্রতিযোগিতামূলক হবে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর সমর্থকদের আচরণ বিধিবহির্ভূত হয়নি। তারা আশাবাদী নির্বাচনটা সুন্দরভাবে তুলে নিতে পারবেন। নির্বাচনে ইভিএম নিয়ে তারা প্রস্তুত রয়েছেন। ইভিএম ব্যবহার করে তারা হয়তো নির্বাচনের ফলাফল দ্রুত দিয়ে দিতে পারবেন।

বিভিন্ন দলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ইভিএম ব্যবহারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে কি না জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ইভিএমের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ নেই। আমরা ইভিএমে নির্বাচন করব। আমরা দেখেছি ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচন করলে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারবে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে—নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা শতভাগ বিশ্বাস করি যে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করবে এবং প্রতিযোগিতামূলক হবে। এখানে অন্য কারো আশঙ্কা প্রকাশ করার কোনো কারণ নেই।

মতবিনিময় সভায় রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান কে এম নূরুল হুদা। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া কীভাবে বন্ধ করা যায় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। তাছাড়া রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে যে মামলা হয়েছে তার তদন্ত চলছে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের অধিকাংশই আউটসোর্স স্টাফ। আমাদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলেও কর্মকর্তারা এ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে কোথাও কোথাও এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা রোহিঙ্গা হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তাদেরকে সনদ দিয়েছে।