বিদায়ী বছরের প্রথম দুই দিনই ইতিবাচক ধারায় রয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। যদিও এ দুই দিনে খুব বেশি উত্থান হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উত্থান কম হোক তাতে কোনো সমস্যা নেই; বাজার যাতে নেতিবাচক না হয় সেটাই প্রত্যাশা। শেয়ারবাজারের সূচক ধীরে ধীরে বাড়লেও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের উভয় শেয়ারবাজারে প্রধান প্রধান সূচক বেড়েছে। টাকার পরিমাণে লেনদেন এবং বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দরও বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৫৯ পয়েন্টে। ডিএসইর অপর দুই সূচকের মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০০৯ ও ১৫০৬ পয়েন্টে। ডিএসইতে গতকাল টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৩৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট, যা আগের দিন থেকে ৯০ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২৯৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার। ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩৫৩টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৬৭টির বা ৪৭ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ১৩৭টির বা ৩৯ শতাংশের এবং ৪৯টি বা ১৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে খুলনা পাওয়ারের। এদিন কোম্পানিটির ২০ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ব্র্যাক ব্যাংকের ১২ কোটি ৭০ লাখ টাকার এবং ১০ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে স্কয়ার ফার্মা। ডিএসইর টপটেন লেনদেনে উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে :সুহূদ, লাফার্জহোলসিম, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, গ্রামীণফোন ও ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫৪১ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৩৮টির, কমেছে ৮৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টির দর। গতকাল সিএসইতে ১২ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
