‘প্রথম পনের মিনিট ঘুমিয়ে ছিল মোহামেডান’

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২০, ২১:১৪

খেলা শেষে রহমতগঞ্জ এবং মোহামেডান সেমিফাইনালের প্রথম ১৫ মিনিট নিয়েই বেশি মতামত জানাল। মোহামেডানের কোচ শেন লিন রাখঢাক না করে বললেন, ‘খেলার প্রথম ১৫ মিনিট আমার প্লেয়াররা ঘুমিয়ে ছিলেন। আরো পরিষ্কার করে বলছি চোখ বন্ধ করেছিলেন।’

ইংলিশ এই কোচের কথার অর্থ হচ্ছে খেলায় মন ছিল না। টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনাল। সুযোগ ফাইনালে উঠার। খেলোয়াড়রা উদাসীন ছিলেন বলেই শেন লিন খুব হতাশ হয়েই এমন মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রথম ১৫ মিনিটের কথা বাদ দিলে বাকি সময় আমরা ভালো খেলেছি। কিন্তু পুরো সময়টা জুড়ে রহমতগঞ্জ তাদের রক্ষণটাকে সীল করে রেখেছিল।’

রহমতগঞ্জের কোচ গোলাম জিলানী জানান, এই প্রথম ১৫ মিনিটেই সুযোগটা তুলে নিয়েছে তার দল। তিনি বলেন, ‘আমি ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিট মোহামেডানকে চাপে রাখতে চেয়েছিলাম। সেটা কাজে লাগিয়ে ১৬ মিনিটে গোল পেয়েছি।’

দলের মতো কোচ জিলানীও তার ক্যারিয়ারে প্রথম কোনো ক্লাব নিয়ে ফাইনালে উঠলেন। আবাহনী ও মোহামেডানকে পরপর হারানো এই কোচ বলেন, ‘আগেও একবার লিগে ব্যাক টু ব্যাক হারিয়েছিলাম।’

আবাহনীর বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে গোল করলেও মোহামেডানের বিপক্ষে জিলানীর লক্ষ্য ছিল নির্ধারিত সময়ে গোল আদায় করা। মোহামেডান কোচ বলেছেন তার খেলোয়াড়রা সাত দিনে পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে। অন্যরাও খেলেছেন তবে তার খেলোয়াড়দের একটা পর্যায়ে গিয়ে থামতে হচ্ছে। মুখে না বললেও কোচ বুঝিয়েছেন বয়সি ফুটবলাররা একটা পর্যায়ে গিয়ে থেমে যান। আর জিলানী বললেন,‘আমার তরুণরা অনেক ভালো খেলেছে। কারণ আমি যখন দলটা গড়ি তখন ভেবেচিন্তে দল গড়েছি। খুব ঠান্ডা মাথায় বিদেশি নির্বাচন করেছি। খেলা দেখে নয়। ভিডিও দেখে আমি তুরায়েভকে নিয়েছি। এই ছেলেটা তাদের ঘরোয়ার লিগে আটটি গোল করেছে। ওর মাথা খুব ভালো। হেড করে গোল করছেন অনেক বার।’

ফাইনালে কাকে চান? জিলানীর জবাব, ‘এখন আর হারানোর কিছু নেই। এখন পাওয়ার কিছু আছে। আমি পেয়েছি, রহমতগঞ্জ পেয়েছে। এখনো মনে পড়ে গত ফুটবল মৌসুমে এই দলটা নিয়ে আমি ৫৪ গোল হজম করেছিলাম। মনটা খুব খারাপ ছিল।’

অপরদিকে মোহামেডান কোচ জানিয়ে গেলেন এখন লিগ নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করবেন।