বরগুনার বেতাগীতে শিশু তামিমা (৭) হত্যার তিন মাসেও উদ্ঘাটিত হয়নি হত্যার রহস্য। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই জনকে আটক করলেও শনাক্ত করা যায়নি মূল আসামি। ফলে হতাশ হয়ে পড়েছে নিহতের পরিবার।
শিশুর বাবা শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রহস্য উদ্ঘাটন না হওয়ায় আমি হতাশ। অচিরেই মূল হত্যাকারীকে শনাক্ত করে তার ফাঁসির দাবি করছি। এ ব্যাপারে বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তবে এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দ্বারপ্রান্তে। ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত পরীক্ষার জন্য ডিএনএ ল্যাবে পাঠানো হলেও আজও রিপোর্ট হাতে পৌঁছায়নি। এটি পেলে পুলিশি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।
প্রসঙ্গত, তামিমা মাছুয়াখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ৭ অক্টোবর স্কুলে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় বাড়ির অদূরে একটা পরিত্যক্ত পুকুরে তার লাশ মিলে। এ ঘটনায় ঐ রাতেই শিশুর বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে বেতাগী থানায় একটি হত্যামামলা দায়ের করেন।
