সম্প্রতি স্প্যাম কলের পরিমাণ একটু বেশিই লক্ষ করা যাচ্ছে। বিশেষ করে ট্রুকলার নামের একটি থার্ড পার্টি অ্যাপের মাধ্যমে স্প্যাম করলকে খুব সহজেই বুঝতে পারা যায়। ট্রুকলার স্প্যাম কলগুলোকে লাল রঙ্গের ও স্প্যাম কল হিসেবে প্রদর্শন করে।
ব্রাজিলে অধিকাংশ সেলফোন ব্যবহারকারীদের স্প্যাম কল রিসিভের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে। চলতি বছর ব্রাজিলের একজন ট্রুকলার ইউজারকে প্রতি মাসে গড়ে ৩৭ দশমিক ৫টি স্প্যাম কল রিসিভ করতে হয়েছে, যা এক বছরে ৮১ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৭ সালে একজন ব্যবহারকারীর রিসিভ করা স্প্যাম কলের সংখ্যা ছিল প্রতি মাসে গড়ে ২০ দশমিক ৭।
চলতি বছর ভারতে সেলফোন ব্যবহারকারীরা মোট যত কল রিসিভ করেছেন, তার ৬ শতাংশের বেশি স্প্যাম কল। অবশ্য দেশটিতে স্প্যাম কলের সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে খানিকটা কমেছে। ভারতে একজন ব্যবহারকারীকে প্রতি মাসে গড়ে ২২ দশমিক ৩টি স্প্যাম কল রিসিভ করতে হয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ১ দশমিক ৫ শতাংশ কম। গেল বছর প্রতি মাসে স্প্যাম কল রিসিভের সংখ্যা ছিল গড়ে ২২ দশমিক ৬টি।
২০১৮ সালে স্প্যাম কলের দিক থেকে শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নেয়া অন্য তিনটি দেশ হলো চিলি, দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকো। দেশগুলোয় সেলফোন ব্যবহারকারীরা প্রতি মাসে গড়ে যথাক্রমে ২১ দশমিক ৯, ২১ ও ২০ দশমিক ৯টি স্প্যাম কল রিসিভ করেছেন। সূত্র : ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস
