কৃষিসহ অন্যান্য খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে :কৃষিমন্ত্রী

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২০, ০০:৫৩

শুধু গার্মেন্টসের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে কৃষিসহ অন্যান্য খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, সবজি আমাদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় খাত। এর মাধ্যমে আমরা রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করতে পারব।  গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) অডিটরিয়ামে জাতীয় সবজি মেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে কৃষিমন্ত্রী কেআইবি চত্বরের তিন দিনের জাতীয় সবজি মেলার উদ্বোধন করেন।

সেমিনারে মন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, কী করছেন আপনারা? কৃষির সাথে জড়িত সবাই বসেন কর্মসূচি নেন। তিনি বলেন, মাশরুম দেশের পাঁচ তারকা হোটেলসহ বিদেশে বেশ চাহিদা রয়েছে, এর উত্পাদন বাড়াতে হবে, কি করে এর বাজার সৃষ্টি করতে হবে তা বের করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে যেতে হবে। আমি ফলাফল দেখতে চাই।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কৃষক যদি লাভ না করতে পারে, তাহলে তারা চাষ করবে কেন? ধান করেও তারা লাভবান হচ্ছে না। সবজি এ মুহূর্তে একটু দাম বেশি হলেও কিছুদিন পরে আলু বা টমেটো কৃষক বিক্রি করতে পারবে না।

পেঁয়াজ সম্পর্কে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বলেছি পেঁয়াজের মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি না করতে। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার মৌসুমে আমাদের পেঁয়াজ উদ্বুদ্ধ হবে বলে তিনি জানান।

সেমিনারের বিশেষ অতিথি পরিকল্পনামন্ত্রী এম. এ. মান্নান বলেন, এখন নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উত্পাদনের সময় এসছে। এ ব্যাপারে আমাদের নজর দিতে হবে।

কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক ড. শাহাবুদ্দীন আহমদ। আলোচনায় অংশ নেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল মুঈদ। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার।

কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এবারের মেলায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৬৫টি স্টল ও ৩টি প্যাভেলিয়ন অংশ নিচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকছে। মেলা চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত।