শিবগঞ্জ উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি শূন্য থাকায় ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৮ লাখ মানুষ ভূমি সংক্রান্ত সেবা থেকে বঞ্চিত আছে। নামজারি জমা খারিজের জন্য আবেদনের ফাইল স্তূপ হয়ে জমে আছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ জনগণ।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর মাস থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বরমান হোসেন পদন্নোতি হয়ে অন্যত্রে বদলি হওয়ায় পদটি শুন্য আছে। তারপর থেকে এ অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ ছাড়াও উপজেলা ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে কানুনগো না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন জমির মালিকেরা। নামজারি জমা খারিজের অভাবে জমি বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে আছে।
জমির মালিকরা প্রায় ৪-৫ মাস আগে নামজারি জমা খারিজের আবেদন করেও এখন পর্যন্ত জমির নামজারি জমা খারিজ করতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। কবে নাগাদ জমা খারিজ হবে তাও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না ওই অফিসের কেউই।
কয়েকটি ইউনিয়নের ভূমি অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এসিল্যান্ডের পদটি খালি থাকায় অনেক ফাইল আটকে আছে। গত কয়েক মাস ধরে ভূমি সংক্রান্ত বহু মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছে না। জমির নামজারি জমা খারিজের প্রায় দুই হাজার আবেদন জমে আছে অফিসে। এগুলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষর না হওয়ায় আবেদনকারীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিমুল আকতার জানান, উপজেলায় নতুন যোগদান করছি। এসিল্যান্ডের শূন্য পদ পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
