বাড়ি ভাড়া নিয়ে দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা!

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২০, ০৭:০২

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা বাসা কিংবা মেস ভাড়া নিয়ে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হয়ে দুর্ভোগে দিন পার করছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

 বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী তৌফিক আহমেদ বলেন, আমাকে একটি সিটের ভাড়া হিসেবে প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়। আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা জানান, আমাকে প্রতি মাসে বাসা ভাড়া বাবদ ৪ হাজার টাকা দিতে হয়। বাসাটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না করেই ভাড়া দেওয়ার ফলে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে কিন্তু এক বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ থাকায় আমি বাসা পরিবর্তন করতে পারছি না।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে নবীনবাগ এলাকার এক বাড়ির মালিক শহিদুল ইসলাম বলেন, দ্রব্যমূল্যের দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাড়া বাড়াতে হচ্ছে। এছাড়া আশপাশে বাড়ির ভাড়া বাড়লে আমাকেও বাড়াতে হয়। চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, অনেকে বাড়ি ভাড়া নিয়ে বছরের মাঝামাঝি সময় ছেড়ে দেয়। তখন ভাড়াটিয়া পাওয়া যায় না। তাই আমরা এক বছরের চুক্তি করে বাড়ি ভাড়া দেই।

আরও পড়ুন: ‘এখনকার নাটকে চরিত্র প্রতিষ্ঠা করা কঠিন কাজ’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক কাজী মসিউর রহমান বলেন, আবাসন সমস্যা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান সমস্যা। এদিকে নতুন হল নির্মাণের পাশাপাশি আমাদের শিক্ষার্থী সংখ্যাও কমাতে হবে। আমরা পরিকল্পনা করছি পরবর্তী বছর থেকে প্রথম বর্ষে প্রতিটি বিভাগে আসন সংখ্যা ৪০ এ কমিয়ে আনতে। বাড়ি ভাড়া কমানোর বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে উচ্চ বাড়ি ভাড়া সমস্যার সমাধান হিসেবে আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুবিধাজনক বাড়ি ভাড়া নির্ধারণের চেষ্টা করব।