ন্যাথান লিঁও
প্রথম ইনিংস বোলিং
ওভার
৩০.৪
রান
৬৮
উইকেট
৫
স্পোর্টস ডেস্ক
দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুটা মোটামুটি ভালোই হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের। কিন্তু সিডনিতে সেই ভালো সূচনাটা ধরে রাখতে পারল না সফরকারীরা। ন্যাথান লিঁওর স্পিন ঘূর্ণিতে মাত্র ২৫১ রানেই থেমে গেল দলটি।
প্রথম ইনিংসে অল আউট হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়া করেছিল ৪৫৪ রান। সিরিজের শেষ টেস্টে সিডনিতে রবিবার দিন শেষে ২৪৩ রানে এগিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। অফ স্পিনার লিঁওর ৫ ও কামিন্সের ৩ উইকেট প্রথম ইনিংসে দলকে এনে দেয় ২০৩ রানের লিড। পরে তৃতীয় দিন শেষ করেছে তারা দ্বিতীয় ইনিংসে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪০ রান নিয়ে।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিনা উইকেটে ৬৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা নিউজিল্যান্ড শুরুতেই হারায় টম ব্লান্ডেলকে। লায়নের বলে বোল্ড হওয়া ওপেনার কোনো রান যোগ করতে পারেননি আগের দিনের ৩৪ রানের সঙ্গে।
দ্বিতীয় জুটিতে টম ল্যাথাম ও জিত রাভালের ব্যাটে এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। তবে ৪৯ রানের জুটির পর দুজনকে পরপর দুই ওভারে ফেরায় অস্ট্রেলিয়া। ৩১ রানে রাভালকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন লায়ন। ফিফটির ১ রান আগে ল্যাথামের প্রতিরোধ ভাঙেন কামিন্স।
দলের বিপদে ত্রাতা হতে পারেননি রস টেইলর। আগ্রাসী শুরুর পর অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ফিরে যান ২০ বলে ২২ করে। দলের আরেক নির্ভরতা বিজে ওয়াটলিংও ব্যর্থ এদিন।
পরিস্থিতি তাদের হতে পারত আরো খারাপ। গ্লেন ফিলিপস ফিরতে পারতেন দ্রুতই। তিনবার বেঁচে যাওয়ার পর অভিষিক্ত এ ব্যাটসম্যান করেন ফিফটি।
তবে এরপর আর বেশি এগোতে পারেননি। ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫২ রান করা ফিলিপসকে থামান কামিন্স। এর আগেই রান আউটে ফেরেন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম।
লোয়ার অর্ডার থেকে আসেনি বেশি রান। নিউজিল্যান্ড শেষ ৪ উইকেট হারায় ১৬ রানে। এর তিনটিই নেন লিঁও।
৬৮ রানে ৫ উইকেট নিয়ে এই অফ স্পিনারই অস্ট্রেলিয়ার সেরা বোলার। টেস্টে ১৭তম বার পেলেন তিনি ৫ উইকেট। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ টেস্টে এটিই প্রথম। তাতে একটি চক্র পূরণও হলো তার। যে ৮ দলের বিপক্ষে খেলেছেন, ৫ উইকেটের স্বাদ পেলেন সবার বিপক্ষেই।
শেষ বিকালে ঘণ্টাখানেক ব্যাট করে ডেভিড ওয়ার্নার ও জো বার্নস নিশ্চিত করে দেন, নিউ জিল্যান্ডের দিনটি শেষ হচ্ছে হতাশায়। জানিয়ে রাখা ভালো, তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে চলমান তৃতীয় ও শেষ টেস্ট অজিরা জিতলেই হোয়াইটওয়াশ হয়ে যাবে ব্ল্যাকক্যাপরা।
