উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থছাড় বেড়েছে

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৫৫

পাঁচ মাসে ছাড় হয়েছে ১৬২ কোটি ৬৩ লাখ ডলার

g ইত্তেফাক রিপোর্ট

উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থছাড়ে গতি ফিরেছে। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ১৬২ কোটি ৬৩ লাখ ডলার বৈদেশিক সহায়তার অর্থ ছাড় হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার ছাড় হয়েছে ঋণ সহায়তা আকারে এবং অনুদান আকারে ছাড় হয়েছে ৮ কোটি ২৩ লাখ ডলার। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময়ে ছাড় হয়েছিল ১৪৯ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। অর্থাত্ চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ কোটি ৮৫ লাখ ডলার বেশি ছাড় হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ তথ্যে এ বিষয়টি উঠে এসেছে। ইআরডির কর্মকর্তারা জানান, অর্থবছরের প্রথম দিকে অর্থছাড়ে ধীর গতি হলেও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন বাড়াতে নিয়মিত প্রকল্প পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করা হচ্ছে। বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট বড়ো বড়ো প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিষয়ে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক নিবিড় পরিবীক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়ন গতি পেয়েছে। 

চলতি অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ রয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারে এডিপি কাটছাঁট শুরু হয়েছে। বৈদেশিক সহায়তারও অংশ কমানো হচ্ছে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। ইআরডি সূত্রে জানা যায়, অক্টোবর পর্যন্ত বৈদেশিক অর্থছাড়ে ধীর গতি থাকলেও নভেম্বর থেকে বেড়েছে।

হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের পুঞ্জীভূত পাওনা থেকে পরিশোধ করা হয়েছে ৬৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে এ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৫২ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। সে হিসাবে এই পাঁচ মাসে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে। এই সময়কালের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশগুলো হতে নতুন ঋণ সহায়তা হিসেবে চুক্তি করতে পেরেছে ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে ৩৮২ কোটি ৫২ লাখ ডলারের নতুন ঋণের চুক্তি হয়েছিল।