ফুল চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কৃষক আব্দুল কাইউম। চলতি মৌসুমে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের গোপালপুর ও কাদিপুরে পাঁচ বিঘা জমিতে বাণিজ্যকভাবে গাঁদা, রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাস, গোলাপসহ বিভিন্ন ধরনের ফুল চাষ করেছেন তিনি। গত দুই সপ্তাহে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফুল বিক্রি করেছেন। আরো ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফুল বিক্রির আশা করছেন সফল এই ফুল চাষি।
কৃষক আব্দুল কাইউম বলেন, ২০১২ সালে ধান, গম ও শাক সবজির পাশাপাশি পাঁচ কাঠা জমিতে গ্লাডিওলাস ফুল চাষ করে লাভ হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর ফুল চাষের জমির পরিমাণ বাড়াতে থাকেন। চলতি মৌসুমে অন্যান্য ফসল কমিয়ে দিয়ে পাঁচ বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেন। এই কৃষককে ফুল চাষে পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা করে আসছেন উপজেলার বিদিরপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আসরাফুল ইসলাম।
মাঠ পর্যায়ের এই কৃষি কর্মকর্তা বলেন, এ অঞ্চলের মাটি ফুল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তার ব্লকের কৃষকদের ফুল চাষে প্রস্তাব দিলে কৃষক কাইউম আগ্রহ দেখায়। প্রথম বছর কাইউমের জমির ফুল কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উদ্যোগে বাজারজাত করা হয়। ফুলের মান ভালো হওয়ায় জমি থেকেই ফুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। গত আট বছর ধরে ফুল চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান আব্দুল কাইউম আগামী মৌসুমে ফুল চাষে জমির পরিমাণ বাড়াবে।
গোদাগাড়ী কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ স্থানীয় বাজারে ফুলের চাহিদা রয়েছে। এজন্য ফুল চাষে আগ্রহী কৃষককে প্রশিক্ষণসহ সব ধরনের সহায়তা দেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
