চট্টগ্রামের হাটহাজারী বন রেঞ্জের আওতাধীন এগারমাইল বনবিট, মন্দাকিনী বনবিট, নাজিরহাট বনবিট, শোভনছড়ি বনবিট ও সর্তা বনবিটের আওতাধীন বন বিভাগের পাহাড়ি গাছ নিধনের মহোৎসব চলছে বলে সূত্রে জানা গেছে। এভাবে বন উজাড়ের ফলে ভারসাম্যহীন হচ্ছে পরিবেশ আর ধ্বংস হচ্ছে জীব বৈচিত্র্য। অথচ অজ্ঞাত কারণেই নীরব ভূমিকা পালন করছে সংশ্লিষ্ট বন কর্তৃপক্ষ।
সরকারি বন বিভাগের এসব গাছ ও জায়গা দখল নিয়ে যেকোন সময় খুনসহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। পূর্বে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় কমিটি প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টামণ্ডলী যথাক্রমে হাটহাজারী আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের উপস্থিতিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। একদল বনদস্যু বন বিভাগের হাজার হাজার হেক্টর জায়গা দখল করে লুটপাট চালালেও কর্তৃপক্ষ নির্বিকার অজ্ঞাত কারণে। এমনকি চিহ্নিত এই সব বনদস্যু, গাছ খেকোদের ব্যাপারে কোন কোন সময় ছোট-খাট কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা লোক দেখানো বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।
আরও পড়ুন: ফেলানী হত্যার নয় বছর! এখনও বিচারের আশায় বাবা-মা
এদিকে কর্তৃপক্ষের লোকজনের সঙ্গে বন বিভাগের জায়গা দখলকারী ও গাছ নিধনকারীদের অনৈতিক গোপন লেনদেনের কথা মানুষের মুখে মুখে। অপরদিকে পাহাড়ি এলাকার গাছ কেটে আনতে গিয়ে বনদস্যুরা এলাকার রাস্তাঘাটও বিনষ্ট করছে বলে জানা গেছে। তবে এলাকাবাসী কেউ এসব সন্ত্রাসী বনদস্যুদের ভয়ে কাউকে কিছু বলার সাহস পায়না। এসব ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। তাছাড়া ব্যাপক হারে পাহাড়ি গাছ নিধনের ফলে পরিবেশও ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছে আর ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে জীব বৈচিত্র্য।
এ ব্যাপারে জানতে হাটহাজারী রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনের মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
চট্টগ্রাম বন কর্মকর্তা (ডিএফও)মো. বখতিয়ার নুর সিদ্দিকী এ প্রতিবেদক কে বলেন, ‘আমি খবর নিয়ে জানাচ্ছি।’
ইত্তেফাক/এএএম
