g ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁও জেলা হিমালয়ের অনেক কাছে হওয়ায় এখানে শীতের তীব্রতা প্রতি বছরই বেশি। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। গত কয়েকদিন হালকা রোদ থাকলেও বেড়েছে হিমেল বাতাস। তাই বেড়েই চলেছে শীতের তীব্রতাও। শীত বেড়ে যাওয়ায় কনকনে ঠান্ডায় জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
আর এই শীত থেকে রক্ষা পেতে ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত মার্কেটগুলোতে পছন্দের পোশাক কিনতে ভিড় জমাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে মৌসুমি ভিত্তিক দোকানগুলোতে শীতের কাপড় বেচাকেনা চলছে পুরোদমে। জেলার বিভিন্ন স্থানে এমনি চিত্র চোখে পড়ে।
সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড়ো মাঠের পাশে রাস্তার ধারে, পৌর হকার্স মার্কেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, রোডসহ গ্রামের বিভিন্ন হাটবাজারের ফুটপাতের ওপর ও ভ্যান গাড়িতে করে বাহারি রঙের শীতবস্ত্র বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। আর এসব কাপড় কিনতে ভিড় করছেন নিম্নবিত্তের পাশাপাশি উচ্চবিত্তরাও। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসব ভ্রাম্যমাণ কাপড়ের দোকানে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
শহরের রোড এলাকায় মৌসুমি ভিত্তিক কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ লিটু জানান, এবারে শীতের ব্যবসা অনেকটাই ভালো হচ্ছে। যারা শহরের বড়ো বড়ো মার্কেটে কিনতে পাড়ে না তারাই আসেন আমাদের এই ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে। কারণ তারা এখানে অনেক কম দামেই কাপড় কিনতে পারে। গত কয়েক দিন জেলায় শীত একটু কম থাকায় তখন তেমন একটা ব্যবসা হয়নি। তবে হঠাত্ করেই ঠান্ডা বাড়ার কারণে বর্তমানে আমাদের ব্যবসা ভালো হচ্ছে।
আরেক ব্যবসায়ী আবেদ জানান, এখানে ছোটো-বড়োদের জ্যাকেট, মাফলার, সোয়েটার, হাত মোজা, কোট, টুপি সবই মিলছে। দাম সস্তা হওয়ায় নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের কাছে এই কাপড়ের চাহিদা বেশি।
রোড এলাকায় কাপড় কিনতে আসা রোকেয়া বেগম জানান, গত কয়েকদিন শীত কম থাকলেও হঠাত্ করেই শীত বাড়ছে। আমরা তো গরিব মানুষ তাই বড়ো বড়ো মার্কেট থেকে কাপড় কিনতে পারি না। এজন্য এখানে এসেছি বাচ্চাসহ পরিবারের লোকদের জন্য কাপড় কিনতে। দাম খুব একটা বেশি নয়।
আরেক ক্রেতা জয়নাল জানান, এখানে অল্প দামে ভালো ভালো কাপড় কিনতে পাওয়া যায়। অসহায় গরিব মানুষ আমরা। বাচ্চার জন্য কাপড় নিতে আসছি।
