আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পুলিশকে দুই উপায়ে কাবু করার পরিকল্পনা বিএনপি-জামায়াতের। তারা মনে করে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হত্যা করবে অথবা পয়সা দিয়ে কিনে ফেলবে। লন্ডন থেকে একটা ক্রিমিনাল এগুলো করে। তবে আমার আত্মবিশ্বাস আছে, আমরা এগুলো মোকাবেলা করতে পারব। বাংলাদেশ পুলিশ এগুলো মোকাবেলা করতে পারবে। বাংলাদেশ পুলিশ এখন আগের চেয়ে দক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সামরিক, বেসামরিক কর্মকর্তাদের পর এবার ৮৮ জন অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির প্রতি সংহতি ও সমর্থন জানিয়েছেন। গতকাল সংহতি ও সমর্থন জানানো অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন পিএসপি (বাংলাদেশ স্বাধীনের পূর্বে পুলিশ সার্ভিস অব পাকিস্তান) কর্মকর্তা, সাবেক আইজিপি ১৫ জন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ১৫ জন, সাবেক ডিআইজি ২৪ জন, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি তিনজন, সাবেক এআইজি ও পুলিশ সুপার ১১ জন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ১৫ জন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পিএসপি কর্মকর্তা মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক আইজিপি এ টি আহমেদুল হক, সাবেক সচিব ও পুলিশ কর্মকর্তা মো. মমিনউল্লাহ পাটওয়ারী, সাবেক আইজিপি কুতুবুর রহমান, মো. শামসের আলম, এ কে এম এনায়েতউল্লাহ দেওয়ান, মো. আব্দুর রউফ, মো. আওলাদ হোসেন মিয়া, কাজী বজলুর রহমান, মো. আব্দুল হান্নান, মো. রুহুল আমিন, মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান খান, এম সানাউল হক, মো. নুরুল আনোয়ার, নূর মোহাম্মদ, এ কে এম শহীদুল হক। সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মো. সরওয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আবদুর রহিম খান, মো. নুরুল আলম, মো. আলী ইমাম চৌধুরী, মো. ফজলুল হক, মো. আব্দুর রহিম, খন্দকার মোজাম্মেল হক, গোলাম মোস্তফা, মো. লুতফর রহমান মিয়া, মো. মতিউর রহমান, মো. আব্দুল মান্নান, মো. আব্দুল মাবুদ, অমূল্য ভূষণ বড়ুয়া, মো. নাজমুল হক, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ফাতেমা বেগম, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি বিনয় কৃষ্ণ বালা, নওশের আলী, সাবেক ডিআইজি মো. আবু হানিফ, দেওয়ান হাবিবুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
