কক্সবাজার সৈকতের কবিতা চত্বর থেকে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:৫০

কক্সবাজার সৈকতের কবিতা চত্বর এলাকা থেকে মুন্না হাসান আমিন (২৫) নামে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোররাতে তার মরদেহ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে কক্সবাজার সদর থানার ওসি শাহজাহান কবির। এ সময় অস্ত্র, গুলি, ছোরা, কার্তুজ জব্দ হয়েছে এবং মুন্না হাসান তালিকাভুক্ত শীর্ষ ছিনতাইকারী বলেও দাবি করেন তিনি। 

মুন্না হাসান ওরফে আমিন কক্সবাজারের মহেশখালীর শামলাপুর বারিয়াপাড়ার মৃত আবুল বশরের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে সে কক্সবাজার শহরে বাস করছিল। 

ওসি শাহজাহান কবির জানান, গত ৪ জানুয়ারি শহরের সার্কিট হাউজের সামনে ইমরুল নামে এক কলেজছাত্রের হাত-পায়ের রগ কেটে ছিনতায়ের ঘটনা ঘটনায় মুন্না হাসান আমিনসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা।এ ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় ইমরুলকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশ ছিনতাইকারীদের ধরতে অভিযানে নামে। এর তিনদিনের মাথায় কবিতা চত্বর এলাকায় অজ্ঞাতনামা লাশের খবর পায় পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল গিয়ে অস্ত্র, গুলি, ছোরা, কার্তুজসহ মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে মরদেহটি মোস্ট ওয়ান্টেড ছিনতাইকারী মুন্না হাসানের বলে সনাক্ত হয়। 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশকেও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

ওসি আরো জানান, ৪ জানুয়ারি মুন্না হাসান ও তার সঙ্গীয় ছিনতাইকারীরা কলেজছাত্র ইমরুল ও তার ভাইয়ের সাথে একই ইজিবাইকে (টমটম) উঠে। টমটমটি সার্কিট হাউজ এলাকায় পৌঁছালে যাত্রীবেশী তাদের আরেক সহযোগী সিগন্যাল দেয়। এসময় ৪-৫জন ছিনতাইকারী গাড়িটি আটকে ইমরুলকে উপর্যুপরি হাত ও পায়ে ছুরিকাঘাত করে। একপর্যায়ে ইমরুল ও তার ভাইয়ের কাছে থাকা মোবাইল ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। 

তিনি আরো বলেন, ছিনতাইকারী মুন্না হাসান আমিনের নামে শুধু কক্সবাজার থানায় বিভিন্ন অপরাধে ৪টি মামলা রয়েছে। মহেশখালী ও অন্য থানাতেও তার নামে অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে খবর পেয়েছি। মরদেহ ও অস্ত্র উদ্ধার ঘটনায় পৃথক আইনে মামলা রুজু করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ওসি শাহজাহান কবির। 

ইত্তেফাক/এএএম