নিউজিল্যান্ড শিবিরে ইনজুরির মিছিল

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৩১

স্পোর্টস ডেস্ক

সদ্যই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হারের পর বিপাকে আছে নিউজিল্যান্ড দল। সেই শোক তো আছেই, এর সঙ্গে একের পর এক ইনজুরিতে এবার একেবারে বিপর্যস্ত অবস্থার মুখে পড়েছে টানা দুই বার বিশ্বকাপের রানারআপরা।

পেসার ট্রেন্স বোল্ট আগে থেকেই ইনজুরিতে ছিলেন। তার সঙ্গে যোগ হয়েছেন টম ল্যাথামও। আর দুই জনের ইনজুরি এতটাই গুরুতর যে, ভারতের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে অনুষ্ঠিত লম্বা সিরিজে আদৌ এই দুই তারকা ক্রিকেটার খেলতে পারবেন কি না—সে নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

ডান হাতের আঙুলে চিড়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্টে খেলতে পারেননি ট্রেন্ট বোল্ট। ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তার থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা শিকার করে নিয়েছেন কোচ গ্যারি স্টিড। তিনি বলেন, ‘বোল্ট নিজের ভেঙে যাওয়া ডান হাতকে বিশ্রাম দিচ্ছে। তবে, আশা করি এই সপ্তাহেইও বোলিং শুরু করবে। তবে, দুঃসংবাদ হলো জানুয়ারির শেষে ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ওর খেলার ব্যাপারে সংশয় রয়েছে। আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহ ওকে দেখব। তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

বোল্টকে নিয়ে সামান্য আশা থাকলেও, ২৭ বছর বয়সি টম ল্যাথামের ব্যাপারে সেটাও নেই।  অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্টে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মার্নাস লাবুশেনের ক্যাচ ধরতে গিয়ে ডান হাতের আঙুল ভেঙে ফেলেছেন। এরপরই তার এক্সরে করানো হয়। আর সেখান থেকে আসে দুঃসংবাদ। তাকে আপাতত কিছুদিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার জন্য অন্তত চার সপ্তাহ লাগবে তার। ফলে, ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তার খেলার সম্ভাবনা কার্যত নেই।

নিজেদের মাটিতে বিরাট কোহলির দল এখন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ব্যস্ত। এই সিরিজ শেষ হতে না হতেই চলে আসবে অস্ট্রেলিয়া দল। আগামী ১৪ জানুয়ারি মুম্বাইয়ে শুরু হবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। পরের দুই ম্যাচ হবে যথাক্রমে ১৭ ও ১৯ জানুয়ারি। এরপর জানুয়ারির শেষ থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের মাটিতে পাঁচ টি-টোয়েন্টি, তিন ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেলবে ভারত। আগামী ২৪ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে প্রথম টি-টোয়েন্টি।