স্পোর্টস রিপোর্টার
অনেকদিন ধরেই ঘরের মাটিতে খেলছে ভারত। এ বছর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে দুটো বড়ো চ্যালেঞ্জ নিতে যেতে হবে তাদের। তার আগে শ্রীলঙ্কাকে ঘরের মাটিতেই ২-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারিয়ে বছর শুরু করলো ভারত। এই জয়ের পর অধিনায়ক কোহলি বলেছেন, বছরের শুরুটা এভাবে সিরিজ জয় দিয়ে করতে পারায় তারা সন্তুষ্ট।
আগে ব্যাট করা ভারত ৬ উইকেটে ২০১ রান করে। দুই ওপেনার ৯৭ রানের জুটি করেন। লোকেশ রাহুল ৫৪ ও শিখর ধাওয়ান ৫২ রান করেন। এরপর মনীষ পান্ডে ৩১ রান করেন। শেষ দিকে শার্দুল ঠাকুর ৮ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। জবাব দিতে নেমে ২৬ রানে ৪ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ৫৭ রান করে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। কাজ হয়নি। ১৫.৫ ওভারে ১২৩ রানে অলআউট হয় তারা। সাইনি ৩টি ও শার্দুল ঠাকুর ২টি উইকেট নেন। ঠাকুর হয়েছেন ম্যাচসেরা।
ম্যাচসেরা হওয়া ঠাকুরের ব্যাটিং নিয়েই বেশি আলোচনা হচ্ছে। তিনি ম্যাচশেষে বলছিলেন, ‘আমার নিজের ব্যাটিং যোগ্যতার ওপর বিশ্বাস আছে। আমি সম্প্রতি বেশ অনুশীলনও করছি। আমার চিন্তা হলো, ৮ নম্বরে নেমে আমি যদি কিছু অবদান রাখতে পারি, সেটা দলের জন্য ভালো। আর বল হাতে আমার চিন্তা ছিল শুরুতে সুইং কাজে লাগানোর। আমি এমনিতে আউটসুইংটা ভালো পারি। এই কন্ডিশনে বল সুইং করাতে পারলে উইকেট পাওয়া যায়।’
সিরিজ জয়ের পর বিরাট কোহলি বলছিলেন, পরপর দুটি সিরিজে এভাবে ভালো ভাবে জয় পাওয়াটা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, ‘বছরের শুরুটা ভালো হলো। আমরা সঠিক পথে আছি। একটা খেলায় রান তাড়া করে জিতেছি, একটাতে আগে ব্যাট করে জিতেছি। দুটোই ক্লিনিক্যাল পারফরম্যান্স ছিল। আমি এ কারণে বেশ খুশি।’
কোহলি বলছেন, মিডল অর্ডারে ধসের পরও শার্দুল ও মনীষ পান্ডে যেভাবে রানটাকে ২০০ পার করিয়েছেন, সেটার প্রশংসা করা উচিত, ‘২০০ রান পার করতে পারলে আত্মবিশ্বাস সবসময় বেশি থাকে। মিডল অর্ডারে ধস নামাটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। এরপর মনীষ ও শার্দুল যেটা করেছে, সেটা খুব ভালো ছিল। আমাদের সামনের দিনগুলোতে এরপর আরো পারফরম্যান্স দরকার হবে।’ আরো একটা ম্যাচে এরকম হারের পর স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ লাসিথ মালিঙ্গা। তিনি বলছিলেন, ‘আমরা ১৫-১৬ ওভার পর্যন্ত এই উইকেটের বিবেচনায় ভালো বল করেছি। এরপর ভালো করতে পারিনি। আবার আমরা দ্রুত টপ অর্ডার হারিয়ে ফেলেছি। এরপর অ্যাঞ্জেলো ও ধনাঞ্জয়া দেখিয়েছে, এই কন্ডিশনে কেমন ব্যাট করতে হয়। আমাদের সবার আসলে এ ধরনের পরিস্থিতি সামলাতে শিখতে হবে।’
