ফেসবুকে নজরদারির সিদ্ধান্ত, মমতার তীব্র প্রতিবাদ

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৭:৫৯

তদন্তের স্বার্থে ভারতীয় কোনও নাগরিকের মোবাইল, কম্পিউটার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নজরদারি চালাতে পারবে দেশটির ১০টি কেন্দ্রীয় সংস্থা।

তাদের মধ্যে রয়েছে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (র), জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) মতো কেন্দ্রীয় সংস্থা।

বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। এই নির্দেশনার কোঠার বিরোধিতা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন এটি ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় অবৈধ হস্তক্ষেপ।

কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টির মতো বিরোধী দলগুলির দাবি, সুপ্রিম কোর্টের রায়কে উপেক্ষা করে সরকার মানুষের মৌলিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে। বিষয়টি নিয়ে সংসদে সরব হওয়ার হুমকি দিয়েছে কংগ্রেস।

আরো পড়ুন: নৌকায় ভোট দিন, উন্নত জীবন দেব: প্রধানমন্ত্রী

টুইট বার্তায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা কি বিপজ্জনক নয়? জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে হলে সেই ক্ষমতা আগে থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে রয়েছে, সাধারণ মানুষকে কেন হয়রান করা হবে?

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, তথ্য পাওয়ার জন্য যেকোনো ব্যক্তির কম্পিউটার, মোবাইলে নজরদারি চালাতে পারবে ১০টি সংস্থা। বাদ যাবে না নাগরিকদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও। তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে অসহযোগিতা করলে সাত বছরের জেল এবং জরিমানা হতে পারে।

ইত্তেফাক/জেডএইচ