গাংনীতে এক স্কুলছাত্রী (অষ্টম শ্রেণি) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয়রা ও পুলিশ সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। এ ঘটনায় ৩ যুবকের নামে গাংনী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাবা।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাংনী থানা পুলিশের একটি দল মাঠের একটি কলাবাগান থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, গাংনী উপজেলার গাঁড়াডোব গ্রামের পোড়াপাড়ার ওই ছাত্রীকে বৃহস্পতিবার বিকেলে ২-৩ জন যুবক বাড়ির পাশ থেকে তুলে নিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে বিকেল থেকে আশেপাশের কয়েকটি গ্রামে খোঁজ করে ব্যর্থ হয়। পরে রাতে গাঁড়াডোব-খোকসা গ্রামের মধ্যবর্তী মাঠের একটি কলাবাগান থেকে ওই ছাত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ সময় শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে তাকে রাতেই মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওই ছাত্রীর জবানবন্দি অনুযায়ী ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত গাঁড়াডোব গ্রামের কাচারীপাড়ার আবু আহম্মেদের ছেলে ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি কাজল হোসেন (১৯), একই গ্রামের রবু হোসেনের ছেলে আশিক (১৮) ও গোলাম রসুলের ছেলে শাহিন হোসেন (১৮)-এর নামে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে মামলা করা হয়।
গাংনী থানার ওসি হরেন্দ্রনাথ সরকার (পিপিএম) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
ইত্তেফাক/নূহু
