ধর্ষককে ক্রসফায়ারে মারার দাবি উঠেছে সংসদে। গতকাল মঙ্গলবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) দুই সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ও মুজিবুল হক চুন্নু এই দাবি জানালে তাদের সঙ্গে একমত পোষণ করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভারতে বাসে এক নারীকে ধর্ষণ করা হয়। পরে সেখানে ঐ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার করে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলা হয়। তারপর ভারতে ধর্ষণের ঘটনা কমে যায়। কাজেই আমি অন্য দুই সদস্যের (জাপার) সঙ্গে একমত। আমি যদি চিনি যে উনি ধর্ষক, সেই একাজ করেছে তাহলে তার আর এই পৃথিবীতে থাকার অধিকার নেই।
তোফায়েলের আগে জাপার কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, টাঙ্গাইলে বাসে ধর্ষণের পরপর পুলিশ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করল। সেদিন যদি পুলিশ পাঁচ জনকে মধুপুরে নিয়ে গুলি করে মারত, তাহলে কিন্তু আবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটতো না। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হোক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য, সেখানে গুলি করে মারা হোক।
বিষয়টির অবতারণা করে জাপার মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ঢাবির ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হলো। ধর্ষণের পর যদিও দ্রুত সেই ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই গ্রেফতার নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের পরপরই সাভারে একজন ধর্ষিত হয়, সেখানে মেয়েটিকে হত্যা করা হয়। এরপর ধামরাইতে একই ঘটনা ঘটে। চুন্নু বলেন, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে ধর্ষণ কন্ট্রোল হচ্ছে না। তাই সময় এসেছে, চিন্তা করার। ধর্ষণের দায়ে যদি প্রমাণ হয়, তার সাজা যাবজ্জীবন না দিয়ে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করা হোক।
