ফুল নিয়ে যত কথা

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:৫০

অধিকাংশ মানুষের কাছে ফুল একটি সৌন্দর্যবর্ধক জিনিস। বিভিন্ন সাজসজ্জায় ফুলের ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু শুধু সাজসজ্জাই নয়, এরচেয়েও ফুলের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। ফুল উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অনেক ফুল থেকে বীজ হয়—যা নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়। শুধু তা-ই নয়, অবাক করা বিষয় হলো—ফুল ছাড়া আমাদের কোনো খাবার হয় না, কোনো ওষুধ হয় না, কোনো পোশাক হয় না। প্রতিদিনের জীবনে ফুলের গুরুত্ব অপরিসীম। ফুল সম্পর্কে রয়েছে অনেক মজার মজার তথ্য। কচি-কাঁচার আসরের পক্ষ থেকে এবার সেই মজার তথ্যগুলো সংকলন করেছেন জাজাফী

| ফুল কিন্তু পৃথিবীর শুরু থেকে ছিল না। এখন থেকে ১৪০ মিলিয়ন বছর আগে প্রথম ফুল জন্মে।

| মাত্র কয়েক শতাব্দী আগে হল্যান্ডে টিউলিপের দাম স্বর্ণের চেয়ে বেশি ছিল!

| আমরা যে ব্রকলি রান্না করে খাই সেটি কিন্তু প্রকৃতপক্ষে একধরনের ফুল।

| এমন কিছু অর্কিড ফুল আছে যা বেড়ে ওঠার জন্য মাটির দরকার নেই। তারা তাদের সব চাহিদা পূরণ করে বাতাস থেকে।

| এমন কিছু ফুল আছে যারা একধরনের পয়জন তৈরি করে এবং তা দিয়ে আশপাশের তরুলতাকে মেরে ফেলে। সেসব পয়জন অবশ্য মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়। এমন একটি ফুল হলো সূর্যমুখী।

| সব ফুলের গন্ধ কিন্তু মিষ্টি নয়। কোনো কোনোটা খুব বিশ্রী হয়, যেমন—ধুতরা ফুল। মজার ব্যাপার হচ্ছে পৃথিবীতে যত ফুল আছে তার মধ্যে সবথেকে বিশ্রী গন্ধযুক্ত ফুল হলো টাইটান এরাম। এটি ৮ ফুট লম্বা হয় এবং ১২ ফুট চওড়া হয়ে থাকে।

| বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো ফুলের সন্ধান পেয়েছিলেন ২০০২ সালে উত্তর-পূর্ব চীনে। তারা এই ফুলের নাম দিয়েছিলেন আরকিফ্রাক্টাস সিনেনসিস। ধারণা করা হচ্ছে এটি আজ থেকে ১২৫ মিলিয়ন বছর আগে ফুটেছিল। এটি অনেকটা পদ্মফুলের মতো।

| ব্লুবেল নামে একপ্রকার ফুলের রস থেকে আঠা তৈরি করা হতো।

| একমাত্র সূর্যমুখী ফুল প্রতিদিন সূর্য যেদিকে যায় সেদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।

| সূর্যমুখী নামে যেমন একটি ফুল আছে তেমনি চন্দ্রমুখী নামেও ফুল আছে—যা কেবলমাত্র রাতে ফোটে। এ ফুলটি খুব কমই দেখা যায়।

| একশ বছর আগে ইউরোপে সব ধরনের রোগের ওষুধ হিসেবে অ্যাঞ্জেলিক নামের ফুল ব্যবহার করা হতো।

| পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো ফুলের নাম র্যাফলেশিয়া আরনল্ডি। এটির ওজন ১১ কেজি। আর সব থেকে ছোট ফুলের নাম ওলফিয়া।

| পৃথিবীতে ৪ লাখ প্রজাতির ফুলের সন্ধান পাওয়া গেছে।