ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুন অন্তর্ভুক্ত ওয়ার্ড হলো ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড। গ্রামের ছোঁয়া এখনো রয়েছে যেখানে। উত্তর সিটির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডটি গঠিত উত্তরখানের মাউসাইদ, উজামপুর, মৈনাকটেক, গোবিন্দ্রপুর, নিন্নিরটেক, খুঞ্জরদিয়া, কুমুদখোলা, কাজীবাড়ী, চাঁনপাড়া, মাস্টারবাড়ী, মুন্ডা, বড়বাগ ও রাজাবাড়ী নিয়ে। এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২৩ হাজার। জনসংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। এই ওয়ার্ডের এখনো প্রায় ৫০ ভাগ রাস্তা কাঁচা। আর অন্যগুলো কার্পেটিং করা হলেও বেশিরভাগই ভাঙাচোরা। চারদিকে ডোবা ও বিল থাকায় মশার উপদ্রব রয়েছে সর্বত্র। এবার এই এলাকায় আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে বর্তমান কাউন্সিলর সাইদুর রহমান সরকারকে, যিনি ঝুড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সড়কগুলো অনুন্নত হওয়া ছাড়াও নাগরিক সেবার ঘাটতি রয়েছে এখানে। বর্তমান কাউন্সিলরকে আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন দেওয়া হলেও এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন কেন্দ্রীয় তাঁতি লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক জাইদুল ইসলাম মোল্লা, যিনি নির্বাচনে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হলেও এলাকায় প্রচার-প্রচারণায় তাকে আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
উত্তর সিটির রিটার্নিং অফিসার বরাবর এক অভিযোগপত্রে তিনি লিখেন, তার প্রচারণার সময় ঝুড়ি প্রতীকে নির্বাচনের প্রার্থী সাইদুর রহমান সরকারের ছেলে নাসিম সরকার তার মাইক কেড়ে নেন। এমন কি তিনি প্রচারের জন্য ব্যবহূত অটো ড্রাইভারকে মারধর করেন।
অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাইদুর রহমান সরকারের সঙ্গে কথা বলার জন্য কয়েকবার ফোন করার পরেও তিনি ধরেননি। পরে তার নাতি ফোন ধরে বলেন, তার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য। কিন্তু কয়েকদিন চেষ্টা করে সাইদুর রহমানের সঙ্গে দেখা করলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। এমন কি তিনি সাংবাদিক শুনে ‘কাজ আছে’ বলে বেরিয়ে যান।
এই ওয়ার্ডে বিএনপি থেকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে বিএনপি নেতা আতিকুর রহমানকে। তিনি ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। এলাকায় তিনি এরই মধ্যে পোস্টার টানিয়ে প্রচারণা শুরু করেছেন। আতিকুর রহমান বলেন, আমি নির্বাচিত হতে পারলে জনগণের জন্য কাজ করব। সুষ্ঠু ভোট হলে আমি আশা করছি নির্বাচিত হব।
