শেষ পর্যন্ত রাজপরিবার ছেড়েই দিলেন ব্রিটেনের প্রিন্স হ্যারি ও তার স¿ী মেগান মার্কেল। গতকাল বাকিংহাম প্যালেস এবং রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ পৃথক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। হ্যারি ও মেগান রাজকীয় উপাধি ব্যবহার করবেন না। এমনকি তাদের থাকার জন্য প্রাসাদ সংস্কারে যে অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল তাও ফেরত দেবেন তারা। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা রানিকেও প্রতিনিধিত্ব করবেন না। তবে রাজপ্রাসাদের মূল্যবোধগুলো মেনে চলবেন। এদিকে রাজপরিবারের সংকট থেকে দূরে থাকতে প্রিন্স উইয়িলাম আয়ারল্যান্ডে বেড়াতে যাচ্ছেন। খবর সিএনএন ও ডেইলি মেইলের
গতকাল রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আগামী গ্রীষ্ম থেকে নতুন নীতি কার্যকর হবে। তিনি বলেন, ‘কয়েক মাস বিশেষ করে সাম্প্রতিক আলোচনার মাধ্যমে আমি সন্তুষ্ট যে, আমরা আমাদের নাতি ও আমাদের পরিবারের ভবিষ্যতের বিষয়ে একটি গঠনমূলক সিদ্ধান্তে পৌছাতে সমর্থ হয়েছি। হ্যারি, মেগান ও আর্চি সবসময়ই পরিবারের ভালবাসার মানুষ হয়ে থাকবে’। রানি তাদের স্বাধীন জীবনের আকাঙ্খার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আমরা আশা করি তাদের পরবর্তী জীবন সুখের ও শান্তিময় হবে।
বাকিংহাম প্যালেস বিবৃতিতে জানিয়েছে, দ্য ডিউক এবং ডাচেস অব সাসেক্স তাদের রানির প্রতি কৃতজ্ঞ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা সামরিক নিয়োগসহ রাজকীয় সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তারা রাজকীয় উপাধিও ব্যবহার করবেন না। তারা রাজপ্রাসাদ থেকে কোনো অর্থও নেবেন না। নিজেরা স্বাধীনভাবে আয় করবেন। রাজপ্রাসাদে তাদের থাকার জন্য ফ্রোগমোর কটেজের সংস্কারে ব্যয় হওয়া ২ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাউন্ডও ফেরত দেবেন হ্যারি ও মেগান। চলতি মাসের শুরুর দিকে রাজপরিবার ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে বিশ্বে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন হ্যারি ও মেগান। ধারণা করা হয়েছিল, ‘মনোমালিন্য’ শেষে তারা হয়তো আবার ফিরে আসবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা তাদের সিদ্ধান্তেই অটল থাকলেন। রানিও তাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেন।
বেড়াতে যাচ্ছেন প্রিন্স উইলিয়াম
ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য সান জানিয়েছে,
