বইমেলার নিরাপত্তায় ৩ শতাধিক সিসি ক্যামেরা

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২০, ২৩:১৬

অমর একুশে বইমেলা ঘিরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পোশাক ও সাদা পোশাকের পুলিশের পাশাপাশি বইমেলার নিরাপত্তায় তিন শতাধিক সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।

 

মেলা প্রাঙ্গণ শক্ত করে বেষ্টনি দেয়া হচ্ছে বাঁশ ও টিন দিয়ে। এরই মধ্যে প্রকাশকদের বলা হয়েছে প্রতিটি বুক স্টলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বাধ্যতামূলকভাবে রাখতে। সেই সঙ্গে প্রতিটি প্রবেশ পথে বসানো হবে তল্লাশি চৌকি। বিশেষ করে উগ্র-মৌলবাদী গোষ্ঠীর সদস্যরা যেন মেলায় ছদ্মবেশে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে বাড়তি নজরদারি থাকবে।

মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় ডিএমপি সদর দপ্তরে অমর একুশে বইমেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত সমন্বয় সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই বইমেলাতে থাকতে দেওয়া যাবে না জানিয়ে সভায় উপস্থিত ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে চলবে অমর একুশে বইমেলা। বই প্রেমিরা বইয়ের ক্ষুধা বইমেলা থেকে বই কিনে মিটিয়ে থাকেন। সেখানে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই বইমেলাতে থাকলে নানান মতবিরোধের সৃষ্টি হতে পারে। তাদের নিরাপত্তার দেখভাল করা, যাতায়াত নির্বিঘ্ন করাসহ সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে ভাল থাকে সেই চেষ্টায় সব ধরনের প্রস্তুতির পাশাপাশি এই বইমেলাকে ঘিরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ যথেষ্ট নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি প্রহণ করেছে।  

আরো পড়ুন : নেপালে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ৮ ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু

এ সময় সমন্বয় সভায় পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোসাম্মৎ জোহরা খাতুন, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক সমিতির সহ-সভাপতি শ্যামল পাল, গোয়েন্দা সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিসসহ সরকারের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি বিকালে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করবেন বলে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ইত্তেফাক/ইউবি