অতি কাঙ্ক্ষিত সেই ক্ষণটি এখন তোমাদের দ্বার প্রান্তে। আশাকরি তোমরা প্রস্তুত। যদিও প্রস্তুতির কোনো শেষ নেই, প্রস্তুতির পরেও রয়েছে প্রস্তুতি। তবে শেষ সময়ের প্রস্তুতি মূলত মানসিক প্রস্তুতি। পরীক্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যারা নিজেদের মানসিকভাবে প্রস্তুত তথা স্বাভাবিক রাখতে পারবে তারা তুলনামূলক ভালো করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। বিশেষ করে পরীক্ষার আগে নিজেকে স্বাভাবিক রাখাসহ আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে নিজের উপর। সর্বশেষ রিভিশনের ক্ষেত্রেও মূল বইয়েই নজর বুলিয়ে নিবে এবং লেখার অভ্যাস চালুু রাখবে। প্রথম দিনের বিষয়ের জন্য আগের দুইদিন হাতে রেখে দিবে। বাকি দিনগুলোতে রুটিনে যে বিষয়গুলোর আগে কম সময় আছে সেগুলো চর্চা করবে। অংকগুলো মুখস্থ না করে বুঝে বুঝে অনুশীলন করবে। সৃজনশীল প্রশ্নের উদ্ধৃতিগুলো মন দিয়ে বারবার পড়বে, উত্তরের যথাস্থানে পাঠ্য বইয়ের সাথে উদ্ধৃতির সম্পর্ক রক্ষা করবে। বিশেষ করে প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা অংশের উত্তরের ক্ষেত্রে অবশ্যই উদ্ধৃতির ঘটনার সাথে যোগসূত্র সৃষ্টি করেই উত্তর লিখতে হবে। খাতার উপরে,নিচে,ডানে,বামে এবং প্রতিটি উত্তরের শেষে পরিমাণ মতো ফাঁকা রাখবে। সম্ভব হলে প্রশ্নপত্রের সাথে মিলিয়ে একবার রিভিশন দিবে।
মনে রাখবে, পরীক্ষার খাতায় পরিচ্ছন্ন হস্তাক্ষর ও শতভাগ প্রশ্নের উত্তর তোমার জিপিএ-৫ পাওয়াকে ত্বরান্বিত করবে। ভালো নম্বর পেতে উত্তরপত্রের পরিচ্ছন্নতা খুবই জরুরি। পরিচ্ছন্নতা বলতে হাতের লেখা সুন্দর না হোক অন্তত কাটাকাটি যেন বেশি না হয়।
