বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফিলিস্তিন আবারও ফাইনালে উঠল। গতকাল রাতে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে ফিলিস্তিন ১-০ গোলে আফ্রিকান দেশ সিসেলশকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিয়েছে। স্ট্রাইকার লেইথ খারব গোল ৭৯ মিনিটে ফিলিস্তিনকে ফাইনালে তুলে দিয়েছেন। ফিলিস্তিন বলছে তারা ভাগ্যক্রমে গোলটি পেয়েছেন, আর সিসেলশ বলছে তারা দুর্ভাগ্যক্রমে গোল হজম করে ফাইনালে উঠার সুযোগ হারিয়েছেন।
তবে এটা ঠিক, ফিলিস্তিন আর সিসেলশ দারুণ লড়াই হয়েছে। খেলা দেখে বুঝার উপায় ছিল না দুই দলের মধ্যে দূরত্ব অনেক। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের সমর্থকদের পাশে ফিলিস্তিনি সমর্থকরাও ছিলেন অনেক। ফুটবল ম্যাচটা উপভোগ করেছেন তারা। একতরফা লড়াই হয়নি। গোলের জন্য অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিন খেলা শেষ হওয়ার ১১ মিনিট আগে গোল পায়। লেইথ খারব ডিফেন্ডার এবং গোলকিপারকে ফাঁকিয়ে দিয়ে অসাধারণ গোল করেছেন। টুর্নামেন্টে তার দ্বিতীয় গোল এটি।
শক্তিশালী ফিলিস্তিন কেন সহজ ম্যাচটা কঠিন করে জিতল? সংবাদ সম্মেলনে আসা সহকারী কোচ বললেন, ‘চার দিন বিশ্রাম পেয়ে তাদের ক্ষতি হয়েছে বলে সেমিফাইনাল ম্যাচটা জিততে কঠিন লড়াই করতে হয়েছে। ফিফার র্যাংকিংয়ে সিসেলশের স্থান ২০০। ফিলিস্তিনের ১০৬। ৯৪ ধাপ পিছিয়ে সিসেশল।
তার পরও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সেমিফাইনালে খেলেছে। সাফের শ্রীলঙ্কাও যেটি পারল না। সিসেলশ আফ্রিকান দেশ। কোথা থেকে এসে এই অঞ্চলে নিজেদের নাম প্রতিষ্ঠা করে গেল। প্রায় ১ লাখ জনসংখ্যার দেশ ফুটবল পারফরম্যান্সে খুব একটা খারাপও না। প্রথমবার ঢাকার মাঠে খেলতে এসে সিসেশল স্মরণীয় হয়ে থাকল। নিজেদের দেশে ১২ দল নিয়ে প্রিমিয়ার লিগ হয়। ফুটবলারদের পারিশ্রমিক মাসে ৩০ হাজার টাকা।
জানালেন কোচ রালফ লুইস। কোচের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হবে কে? সিসেলশ কোচ বললেন, ‘বুরুন্ডি। তারা শক্তিশালী দল। বিশ্রাম পাচ্ছে বেশি। প্রস্তুতিও নিতে পারছে বেশি। স্কীলফুল দল।’ বাংলাদেশের নাম বলেননি তিনি।
