শীতকাল শেষ হতে যাচ্ছে, মানে বিয়ের ভরপুর মৌসুমও শেষের দিকে। বিয়ে করা মানেই চাঁদাবাজির কবলে পড়া, সেটা অনেকেই জানেন না। আর বিয়ের আসরে চাঁদাবাজির ঘটনাগুলো তুলে ধরছেন সুদিপ্ত কুমার নাগ
জুয়েল ভাই, শুনলাম আপনার নাকি বিয়ে ঠিক হইছে? আপনার হবু বউ কি আপনার আগের প্রেমিকার কথা জানে?
বিষয়টা বুঝছি এমদাদ ভাই। আপনার মুখ বন্ধ রাখার জন্য আপনাকে আজকে সন্ধ্যার সময়ই ট্রিট দেব।
v বিয়ে ঠিক হওয়ার পরপরই বন্ধুদেরকে চাঁদা দিতে হয় অর্থাত্ বড়সড় ট্রিট দিতে হয়।
দুলাভাই, বিশ হাজার টাকা না দিলে ঢুকতে দেব না। আর ঢুকতে না পারলে বিয়েও করতে পারবেন না।
যা টাকা দিছি, তাই রাখো। নাহলে কিন্তু তোমাদের আপুকে তুলে নিয়ে যেয়ে বিয়ে করব!
v বিয়ের গেটে প্রবেশের সময় সবচেয়ে বেশি চাঁদা দিতে হয়।
দুলাভাই, আপনার হাত ধুয়ায় দিলাম। এবার দশ হাজার টাকা বখশিশ দেন।
দুলাভাই, আমি তো ইয়ার্কি করতেছিলাম। কোনো বখশিশ লাগবে না।
তুমি যে লিপটনের সাথে প্রেম করো, সেটা কি তোমার আব্বুুকে বলে দিব নাকি ১০ হাজার টাকা বখশিশ নিবা?
v বরের হাত ধুয়ে দেওয়ার জন্য শালা-শালীরা বিশাল অঙ্কের টাকা নেয়।
দুলাভাই, আপনার জুতা খুঁজে দিতে পারি কিন্তু আমাকে এর বিনিময়ে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে।
এ রকম হবে জন্যই আরেক জোড়া নতুন জুতা সাথে নিয়ে এসেছি। আর যেটা লুকিয়ে রেখেছ, ওটা গুলিস্তানের ফুটপাত থেকে কেনা জুতা।
v বিয়ের পর বরের জুতা লুকিয়ে রেখে বিশাল অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়।
