খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকায় ফেরার পথে শ্যামলী পরিবহনের একটি নৈশকোচে কয়েক জন নারী পর্যটক যৌন নিপীড়নের শিকার হযেছেন। এ অভিযোগে ঐ বাসের সুপারভাইজার মামুনুর ইসলাম মামুনকে (২৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গত শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, সাজেক ভ্রমণ শেষে ৩৪ জন নারী পর্যটক শনিবার রাত ৯টায় শ্যামলী পরিবহনের একটি নৈশকোচে (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৬৪৪৭) খাগড়াছড়ি সদর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। তারা সবাই ঢাকার একটি ভ্রমণ সংগঠনের সদস্য। বাসটি রাত ১১টার দিকে রামগড়ে পৌঁছলে সুপারভাইজার মামুন ঘুমন্ত এক নারী পর্যটকের শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। এ সময় ঐ যাত্রী সুপারভাইজারের হাত চেপে ধরে চিত্কার দেন এবং বাতি জ্বালাতে বলেন। পরে তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে রামগড় থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত সুপারভাইজার মামুনকে আটক করেন।
ওসি মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, ভিকটিম একজন ব্যারিস্টার। আটক সুপারভাইজার ঐ পর্যটক দলের আরো চার-পাঁচ নারীকে একইভাবে যৌন নিপীড়ন করেছে বলে তারা অভিযোগ করেন। ওসি আরো জানান, শনিবার রাতেই নিপীড়নের শিকার ঐ ব্যারিস্টার বাদী হয়ে রামগড় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে।
গ্রেফতারকৃত মামুন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সাভার গ্রামের রাফিউল ইসলামের ছেলে। রবিবার সকালে তাকে খাগড়াছড়ি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে আদালত কারাগারে প্রেরণ করেন।
