বিএনপি-জামায়াত জোটের সমালোচনা করে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা বলেছেন, সারাবিশ্ব বলছে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি বিস্ময়কর, উন্নয়নের রোলমডেল। কিন্তু একটি দল বিএনপি, তাদের কোনো উন্নয়নই চোখে পড়ে না। কারণ এ দলটির সহযোগী সংগঠন হচ্ছে গ্রেনেড হামলাকারী, অগ্নিসন্ত্রাসী, জঙ্গি-সন্ত্রাসী, খুনি-স্বাধীনতাবিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুভয়কে জয় করে অগ্নিসন্ত্রাস-জঙ্গি-মাদক-দুর্নীতিবাজ-দরিদ্রতা-নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সব যুদ্ধে তিনি জয়ী হয়েছেন। গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এসব কথা বলেন।
প্রথমে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং পরে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে গতকাল জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় আরো অংশ নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালিক, বিদ্যুত্ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, সরকারি দলের নাসির উদ্দিন, সুলতানা নাদিরা, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, তাহমিনা বেগম, সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, গণফোরামের সুলতান মুহাম্মদ মনসুর ও বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (এ) রওশন আরা মান্নান।
আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও সাহসী নেতৃত্বে সব দিক থেকে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের মহাসড়ক দিয়ে। সব সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুত্ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সবাইকে আরো ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। শেখ হাসিনার হাত যত শক্তিশালী হবে, তত বেশি দেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতি পাবে।
গণফোরামের সুলতান মুহাম্মদ মনসুর বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কী হয়েছে জানি না, কিন্তু আমার আসনে সম্পূর্ণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। যে অবস্থানেই থাকি না কেন যতদিন বেঁচে থাকব বঙ্গবন্ধুকে বুকে ধারণ করেই চলব। সবাইকে বঙ্গবন্ধু ও জয় বাংলাকে মেনে নিয়েই রাজনীতি করতে হবে।
জাতীয় পার্টির (এ) রওশন আরা মান্নান বলেন, দেশের অর্থনীতিতে সংকট চলছে। ব্যাংক খাতে ঋণখেলাপি ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। জনগণের গচ্ছিত টাকা লুটপাট হয়ে যাচ্ছে। বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা পথে বসেছে। জনগণের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার করতে হবে।
