লাল ফিতার দৌরাত্ম্য আর কত?

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৫৭

গত ৮ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে অর্থ মন্ত্রণালয় শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের অবসর গ্রহণের ১৫  বছর পর পেনশনে পুনঃস্থাপনের সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেন। কিন্তু প্রজ্ঞাপনে উলে­খ নাই বিধায় পুনঃস্থাপিত ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর বিধবা স্ত্রী/বিপত্নীক স্বামীকে পেনশন দেওয়া হচ্ছিল না। পেনশন বিধিমালা এবং প্রচলিত নিয়মানুযায়ী একজন পেনশনারের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী/স্বামী আজীবন পেনশন পেয়ে থাকেন। বিষয়টি নিয়ে অনেকে লেখালিখি হয়েছে। অবশেষে হিসাব মহানিয়ন্ত্রক গত ১ সেপ্টেম্বর ৫ খানা প্রজ্ঞাপন/নথিপত্রের উলে­খ/সংযোজনসহ পত্র দিলে অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে সম্মতি জানায়। গত ২৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে হিসাব মহানিয়ন্ত্রককে পত্র দিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও হিসাব রক্ষণ অফিসকে তাদের অধিনস্ত সকল দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে কপি সরবরাহের জন্য বলা হয়। তদানুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে উলি­খিত পত্রের কপি প্রেরণের কথা। কিন্তু ৮৫ দিনেও ঐ পত্র পৌঁছেনি বলে একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে জানা গেছে। ইতিমধ্যে পেনশনে পুনঃস্থাপনের পর অনেকেই মারা গেছেন, যাঁদের সকলেই ৭৩ ঊর্ধ্ব বয়স্ক ছিলেন। বিধবা/বিপত্নীকদের বয়সও সত্তরোর্ধ্ব। সরকারি প্রজ্ঞাপন/ স্মারকের   অপেক্ষায় থেকে থেকে তাঁরাও চলে যাবেন। তাই প্রশ্ন—২৮-১০-২০১৯ তারিখের পত্র আর কতকাল ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে থাকবে? লাল ফিতার দৌরাত্ম্য আর কত?

ওয়াহিদুল ইসলাম আখন্দ

৫৭০/১-বি, সেনপাড়া-পর্বতা, ঢাকা ১২১৬