করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গতকাল বেইজিং সফররত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে এই আশাবাদ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শি। ভাইরাস ঠেকাতে চীনের সঙ্গে ট্রেন সার্ভিস বন্ধসহ কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে হংকং। খবর রয়টার্সের
চীনে গতকাল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৬-এ দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শি আশাবাদী হলেও জাপান, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, বুধবার তাদের কনস্যুলেট কর্মকর্তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে একটি চার্টার্ড বিমান প্রস্তুত রয়েছে। ভাইরাস মোকাবিলায় কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে গতকাল আলোচনা করেন শি জিনপিং ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরস আদহানোম গেদরিয়েসাস। তারা ভাইরাস আক্রান্ত শহরে বিদেশিদের কীভাবে রক্ষা করা যায় সে বিষয়েও আলোচনা করেন। শি জিনপিং বলেন, ‘করোনা ভাইরাস একটি শয়তান এবং এই শয়তানকে আমরা লুকিয়ে থাকতে দেব না।’ তিনি ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সহায়তা কামনা করেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ভাইরাস চীনের অর্থনীতিতেও ধাক্কা দিয়েছে। শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। তেলের দাম তিন মাসে সর্বনিম্ন। মুদ্রার মানও সর্বনিম্ন পর্যায়ে। বিদেশি ব্যবসায়ীরাও চীন ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।
কড়া পদক্ষেপ হংকংয়ের
তাইওয়ান সেন্টার ফর ডিজিজেস কন্ট্রোল জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসে দুইজন আক্রান্ত হয়েছেন। হংকংয়ের চিকিত্সকদের একটি গ্রুপ দাবি করেছে, চীন থেকে আগতদের নিষিদ্ধ করা হোক। তবে হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম জানিয়েছেন, তারা চীনের সঙ্গে বিদ্যমান কিছু সীমান্ত বন্ধ করছে। ট্রেন সার্ভিস ও বিমানের কিছু ফ্লাইটও বন্ধ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
