‘অবাক জলপান’ মঞ্চায়ন

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ২০:০৫

কবি জয়দুল হোসেনের ৬৬তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে গত ৯ জানুয়ারি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কবিকে শুভেচ্ছা প্রদান, আলোচনা সভা, শিশুতোষ নাটক ‘অবাক জলপান’ মঞ্চায়ন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ রেজাউল কবির। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী মনির হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা মাহফুজা আখতার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘কবি জয়দুল হোসেন কেবল ব্রাহ্মণবাড়িয়ারই কবি নন, তিনি বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান কবি। কবি হিসেবে তিনি যেমন বিখ্যাত তেমনি মুক্তিযুদ্ধের গবেষক হিসেবেও সুনাম অর্জন করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যা ও গণকবর নিয়ে তিনি যে বই প্রকাশ করেছেন তা অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতি তিনি নিষ্ঠাবান। দুঃশাসন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সর্বদাই প্রতিবাদী মানুষ। তার গুণাবলিও আদর্শ শিশুদের অনুকরণীয়।’ অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত কবি জয়দুল হোসেন এ আয়োজনের জন্য জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু একডেমির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এই আয়োজন শুধু আমাকে নয়, সকল কবিকে সম্মানীত করেছে।’ অনুষ্ঠানে কবিকে উত্তরীয় ও শাল পরিয়ে এবং ক্রেস্ট প্রদান করে সম্মাননা জানানো হয়। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিচালনা কমিটির পক্ষে ফুল দিয়ে কবিকে শুভেচ্ছা জানান অন্যতম সদস্য সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব অ্যাড. লোকমান হোসেন ও অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদা নাজমীন। এ সময় সর্বস্তরের জনগণ ও অন্যান্য সংগঠন ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। আলোচনা শেষে কবির ৬৬তম জন্মদিনের কেক কাটা হয়। শিশু এছাড়া একডেমির প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে সুকুমার রায় রচিত শিশুতোষ নাটক ‘অবাক জলপান’ নির্দেশনায় ছিলেন অধ্যাপক মানবর্দ্ধন পাল। অনুষ্ঠানে সংগীত, নৃত্য এবং কবি জয়দুল হোসেনের লেখা কবিতা আবৃত্তি পরিবেশিত হয়। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন পাপিয়া চৌধুরী, নৃত্য পরিচালনায় জে আমীন, বেহালায় সামসুদ্দিন খাঁ এবং তবলায় ছিলেন বাবুল মালাকার।