বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘গাজা’

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৮, ২২:২৫

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তত্সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘গাজা’ পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে গতকাল সকালে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ইত্তেফাককে জানান, ঘূর্ণিঝড়টির বর্তমান অবস্থান ও গতি দেখে মনে হচ্ছে এটি বাংলাদেশ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশে এই ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতের আশঙ্কা কম বলে মনে হচ্ছে। তারপরেও সতর্ক থাকার জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্ত নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গতকাল বিকালে ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১ হাজার ১৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে।  ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দে র ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুই-এক জায়গায় হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।