বিএসএমএমইউতে মতবিনিময়

নানা সংস্কারের কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে মরণোত্তর দেহ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২০, ০০:৩৯

মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন-১৯৯৯ সংশোধন করা হয় ২০১৮ সালে। এই আইনে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে আত্মীয়ের পরিধি কিছুটা বেড়েছে। এছাড়া মৃত ব্যক্তির অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অন্যের শরীরে সংযোজনের সুযোগও রাখা হয়েছে। আইনে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বলতে কিডনি, হূিপণ্ড, ফুসফুস, অন্ত্র, যকৃত্, অগ্ন্যাশয়, অস্থি, অস্থিমজ্জা, চোখ, চর্ম, টিস্যুসহ মানবদেহে সংযোজনযোগ্য যে কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে বোঝানো হয়েছে। আগের আইনটি সংশোধনের পর অনেকটা আধুনিক হলেও এখনো সামাজিক ও ধর্মীয় নানা সংস্কারের বেড়াজালে বাংলাদেশে বিঘ্নিত হচ্ছে মরণোত্তর দেহ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান।

মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন ২০১৮ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ক্যাডাভেরিক জাতীয় কমিটি আয়োজিত এই সভা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এ ব্লকের ডেন্টাল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ক্যাডাভেরিক জাতীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ও ক্যাডাভেরিক জাতীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, কমিটির সদস্য সচিব এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব আবদুল ওহাব খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একে এম খুরশিদুল আলম, নেফ্রোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আছিয়া খানম, ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজ অ্যান্ড ইউরোলজির অধ্যাপক ডা. কাজী রফিকুল আবেদীন প্রমুখ।

অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজনের জন্য মরণোত্তর দেহদান বিষয়টিকে আমাদের উত্সাহিত করতে হবে। এ জন্য ব্যাপক জনমত তৈরি করতে হবে।