শেষ টি-টোয়েন্টি আজ
স্পোর্টস ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে গিয়ে উপমহাদেশীয় যে কোনো দলের জন্য যে কোনো ফরম্যাটেই সিরিজ জয় খুব শক্ত ব্যাপার। সেখানে ভারত এক অনন্য অর্জনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। আজ মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে জিতলেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পাবে বিরাট কোহলির দল। পরিসংখ্যান অবশ্য নিউজিল্যান্ডের পক্ষে। কারণ দেশের মাটিতে সেই ২০০৫ সাল থেকে কেবল একবারই নিজেদের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে হেরেছে দলটি। ২০০৮ সালে সেবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তারা হেরেছিল ২-০ ব্যবধানে। যদিও চলতি সিরিজে এখন অবধি যে অবস্থা তাতে এগিয়ে রাখতে হচ্ছে ভারতকেই। প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তারা পুরো হিসাব-নিকাশ ওলট-পালট করে দিয়ে জিতেছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে আক্ষরিক অর্থেই উড়িয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষকে। আর শেষ দুই ম্যাচে এগিয়ে থেকেও হেরেছে নিউজিল্যান্ড। দুটো ম্যাচেই ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে সুপার ওভারে গিয়ে।
সুপার ওভারে পাওয়া টানা দুই জয়ে মানসিকভাবে এখন নিউজিল্যান্ডের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে ভারত। অধিনায়ক বিরাট কোহলি নিজেও দাবি করলেন, শেষ দুই ম্যাচের অভিজ্ঞতাই তাদের এগিয়ে রাখবে শেষ ম্যাচে।
তিনি বলেন, ‘গত দুটো ম্যাচ দারুণ ছিল। ম্যাচ দুটির অভিজ্ঞতা থেকে আমরা একটা জিনিস শিখতে পেরেছি। বুঝতে পেরেছি, বিপক্ষ দল যখন ছন্দে থাকে তখন সবচেয়ে জরুরি ব্যাপার হলো মাথা ঠান্ডা রেখে খেলে যাওয়া, আর সুযোগ বুঝে পালটা আক্রমণ করা। এর আগে আমরা সুপার ওভার কখনোই খেলিনি। এখন দুটো খেলে দুটোতেই জিতেছি। পরপর দুটো ম্যাচে হেরে যাওয়ার মতো জায়গা থেকে জিতেছি। এটাতেই আমাদের দলের মানসিকতা, দলের চরিত্রটা পরিষ্কার হয়ে যায়। আশা করি, শেষ ম্যাচেও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।’
যদিও আজ জিতে গেলেও র্যাংকিংয়ে খুব একটা এগোতে পারছে না ভারত। টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে পাঁচেই থাকতে হবে বিরাট কোহলিদের। তাদের আগে থাকা চার দল হলো—পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগে ছোট্ট একটা দুঃসংবাদ পেয়েছে ভারতীয় শিবির। ওয়েলিংটনের চতুর্থ ম্যাচে মন্থরগতির ওভার রেটের জন্য জরিমানা করা হয়েছে ভারতকে। নির্ধারিত সময়ে চেয়ে দুই ওভার বেশি সময় নিয়েছে দলটি। এর জন্য প্রত্যেক খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফির শতকরা ৪০ শতাংশ করে কেটে নিয়েছে আইসিসি।
