সাভার উপজেলার আশুলিয়ায় পৃথক স্থান থেকে নারী পোশাক শ্রমিক ও শিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে ওই শ্রমিকের স্বামী পলাতক রয়েছেন। সোমবার দুপুরে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া থেকে ওই শ্রমিক ও গোমাইল বাংলাবাজার এলাকা থেকে ওই শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলো- বগুড়ার শিবগঞ্জ এলাকার ধলু শেখের মেয়ে শ্যামলী খাতুন (২৫) এবং গোমাইল বাংলাবাজার এলাকার বাবুল পালোয়ান বাড়িতে ভাড়াটিয়া মামুনুর রশিদের মেয়ে ফুলমতি আক্তার (১০)।
নিহত পোশাক শ্রমিক শ্যামলী খাতুন ও স্বামী সিরাজুল ইসলাম আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকার লুৎফর শিকদারের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। শ্যামলী পলমল গ্রুপের নাফা এ্যাপারেলস কারখানায় চাকরি করতেন। সিরাজুল বিসমিল্লাহ মেটালস কারখানায় চাকরি করেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে সোমবার দুপুরে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকার লুৎফর রহমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া সিরাজুল ইসলাম তার স্ত্রীকে শ্যামলী খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাইরে থেকে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। প্রতিবেশীরা ডাকাডাকি করে শ্যামলীর কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে তার লাশ খাটের উপর দেখতে পান। এরপর এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে বালিশ চাপা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে।
অন্যদিকে আশুলিয়ার গোমাইল বাংলাবাজার এলাকার বাবুল পালোয়ানের বাড়ির ভাড়াটি মামুনুর রশিদ ও তার স্ত্রী বাড়িতে না থাকার সুযোগে দুর্বৃত্তরা তার দশ বছরের শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশটি ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। তবে কি কারণে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে তা পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।
আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ জানান, নিহত পোশাক শ্রমিক ও শিশুটির মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
